তাজমহল শব্দটা মুখ থেকে বার হলেই বিশ্বের যে কোনও প্রান্তের মানুষ একবাক্যে বলে দেবেন ভারত। অনেকে আগ্রার নামটাও বলে দেবেন। এখনও প্রতিদিন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকেরা হাজির হন বিশ্বের এই অন্যতম আশ্চর্য স্থাপত্য কীর্তি চর্ম চক্ষে দেখতে।
ভারতের তাজমহলের নাম তো সকলেই জানেন। কিন্তু ভারতের পড়শি দেশ নেপালেও রয়েছে একটি তাজমহল। সে স্থাপত্যের নাম তাজমহল নয় ঠিকই, তবে তাকে নেপালের তাজমহলই বলা হয়।
নেপালের তাজমহল বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে নদীর ধারে সবুজের কোলে একটি অপরূপ ৪ তলা অট্টালিকা। যা আদপে একটি প্রাসাদ। নেপালের কালীগণ্ডকী নদীর ধারে একটি সমতল পাথুরে অংশের ওপর তৈরি হয়েছিল এই প্রাসাদ।
১৮৯৩ সালে তৈরি ওই প্রাসাদের নাম রানি মহল। নদীর ধারে স্তরে স্তরে ধাপে ধাপে তৈরি এই রানি মহল বিশাল জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে তৈরি হয়েছে। রয়েছে পুকুর, বাগান। সাদা ধবধব করছে প্রাসাদটি।
কেবল একটি ভবনের মাথাটা লাল ঢালের মত করে তৈরি। একধার দিয়ে বয়ে গেছে নদী। চারধারে পাহাড় আর সবুজের অঢেল প্রকৃতি। যা রানি মহলের রূপকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
একটা সময় পর্যন্ত পশ্চিম নেপালের এই চোখ ধাঁধানো প্রাসাদটি দেখতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যেত না। কিন্তু এখন সেটাই হয়। পর্যটকেরা নেপালে বেড়াতে গিয়ে নেপালের তাজমহল বলে খ্যাত এই রানি মহল না দেখে ফেরেন না। ফলে সেখানে প্রতিদিনই প্রচুর পর্যটকের ভিড় জমে।