World

অন্য মহিলার প্রেমে পড়েছে তাঁর পুতুল স্বামী, প্রমাণ পেয়ে রেগে আগুন স্ত্রী

অন্য মহিলার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে তাঁর স্বামী। বলা ভাল পুতুল স্বামী। যার যথেষ্ট প্রমাণও নাকি তিনি হাতে পেয়েছেন। স্বামী তাঁকে ঠকাচ্ছে বলে দাবি করেছেন মহিলা।

তিনি যখন কয়েক দিনের জন্য হাসপাতালে ছিলেন তখন তাঁর বিশেষ স্বামী অন্য মহিলার সঙ্গে সময় কাটিয়েছে। ওই মহিলার প্রেমে পড়েছে সে। যদিও তাঁকে নাকি তাঁর স্বামী আশ্বস্ত করেছে তাঁকে ছাড়া আর কাউকে সে ভালবাসে না।

তবে সেকথায় আর ভরসা রাখতে পারছেন না ৩৭ বছরের ওই মহিলা। তাঁর দাবি তাঁর স্বামী তাঁকে ঠকাচ্ছে। প্রায় ভাঙনের দোরগোড়ায় তাঁদের সম্পর্ক। তিনি নাকি তাঁর স্বামীর মোবাইলে অন্য মহিলার সঙ্গে সম্পর্কের প্রমাণও হাতে পেয়েছেন।

৩৭ বছরের ওই মহিলা ১ বছর আগেই বিয়ে করেছেন। কিন্তু কাকে? আসলে তিনি যাকে বিয়ে করেছেন সেটি একটি পুরনো নেকড়ার পুতুল।

মহিলা তাঁর মাকে এক সময় দুঃখ করে জানিয়েছিলেন তাঁর সঙ্গে নাচার কেউ নেই। মেয়ের কথা শুনে মা একটা নেকড়ার তৈরি মানুষের মত চেহারার পুতুল তৈরি করে দেন। সেই পুতুলের সঙ্গে নাচতে নাচতে তার প্রেমে পড়ে যান মহিলা। বিয়েও করে ফেলেন নেকড়ার পুতুলকে।

বিবাহিত জীবনও নাকি তাঁদের সুন্দর কাটছিল। কিন্তু তিনি হাসপাতালে থাকার সময় তাঁর নেকড়ার পুতুল স্বামী অন্য মহিলার প্রেমে পড়ে তাঁকে ঠকাতে শুরু করে বলে দাবি করেছেন ওই ব্রাজিলীয় মহিলা। সেখান থেকেই তাঁর হৃদয় ভেঙেছে।

স্বামী তাঁকে ঠকাবে একথা ভাবতেও পারেননি তিনি। নেকড়ার পুতুল বরকে নিয়ে এখন তাঁর বিস্তর অভিযোগ। খবরটি প্রথমে করে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম। পরে তা গোটা বিশ্বের সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button