সন্ন্যাসী রোবট, মানবরূপী রোবট পেল বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর দীক্ষা
রক্ত মাংসের মানুষ ছাড়াও সন্ন্যাসী। একটি মানবরূপী রোবটকে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী হিসাবে দীক্ষা দেওয়ার ঘটনা নজর কেড়েছে গোটা বিশ্বের। রোবটের পরনে ছিল সন্ন্যাসীর পোশাক।
সন্ন্যাস গ্রহণ কেউ করতেই পারেন। ঈশ্বর চেতনায় নিজেকে নিয়োজিতও করতে পারেন। সেটা তাঁর নিজস্ব ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু সেই ইচ্ছা অনিচ্ছা, সন্ন্যাস কি তা বোঝা সবকিছু নির্ভর করে মানুষের ভাবনার ওপর। তাঁর জীবন কাটানোর দর্শনের ওপর।
এসব একজন রক্তমাংসের মানুষের পক্ষে নির্ধারণ করা, বেছে নেওয়া সম্ভব। কিন্তু একটা রোবটের ক্ষেত্রে কি তা সম্ভব? সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ায় কিন্তু এ রোবটকে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর দীক্ষা গ্রহণ করতে দেখা গেছে। যা স্বভাবতই নজর কেড়েছে গোটা বিশ্বের।
আধুনিক জীবনশৈলীতে যে রোবট তার একটা আলাদা পরিচিতি তৈরি করছে বা আরও বেশি করে করতে চলেছে তার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত কিন্তু এই রোবটের বৌদ্ধ সন্ন্যাসী হয়ে ওঠা।
মানুষের চেহারার রোবট বা হিউম্যানয়েড রোবট গাবি দস্তুরমত নিয়ম মেনে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর দীক্ষা পেল। তার পরনে ছিল বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর বিশেষ পোশাক। দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী শহর সিওলের একটি বৌদ্ধ মন্দিরে রোবট গাবি বৌদ্ধ সন্ন্যাসী হয়ে ওঠে।
নতুন প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতেই এই অভিনব পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। মন্দিরে হওয়া ভগবান বুদ্ধের প্রতি ভক্তি প্রকাশের রীতিতেও অংশ নেয় গাবি। এই অনুষ্ঠানে সকলের নজর ছিল গাবি কি করছে সেদিকে। তার আচরণের দিকে।
কোরিয়ান বৌদ্ধ ধর্মাচরণে এই ঘটনা এক অধ্যায় হয়ে যুক্ত হল। তৈরি করল নতুন ইতিহাস। বিশ্বজুড়ে নানা সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হয়। সমাজ মাধ্যমেও এই খবর আলোড়ন ফেলে দেয়।











