ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ধরিয়ে দিল স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক, তা সামনে এনেও রেহাই পেলেননা স্বামী
স্ত্রীর অন্য পুরুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এটা স্বামীর কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের দৌলতে। আদালতের কাছেও। তবে রেহাই পেলেননা স্বামীও।
তাঁদের বিয়ে হয়েছিল ২০২১ সালে। স্বামী ও স্ত্রী স্বামীর বাবা মায়ের সঙ্গেই থাকতেন। কেবল সপ্তাহ শেষে তাঁদের হলিডে হোমে যেতেন। ২০২৩ সাল থেকে ওই ব্যক্তির মনে একটা সন্দেহ দানা বাঁধতে থাকে।
তাঁর মনে হতে থাকে তাঁর স্ত্রীর অন্য পুরুষের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক আছে। হলিডে হোমে তাঁরা লুকিয়ে দেখা করেন। তিনি খবর সংগ্রহ করা শুরু করেন। তবে স্ত্রীকে কিছু জানতে না দিয়ে।
হলিডে হোমের গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গায় তিনি এক অন্য পুরুষকে গাড়িতে করে স্ত্রীকে ছেড়ে দিয়ে যেতেও দেখেন। অবশেষে তিনি একটি ফন্দি আঁটেন। একটি রোবট ভ্যাকুয়াম ক্লিনারে থাকা গোপন ক্যামেরা কাজে লাগান প্রমাণ সংগ্রহে। যে ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের রিমোট ছিল তাঁর হাতে।
সেই ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের ক্যামেরায় স্ত্রীর সঙ্গে অন্য পুরুষের ঘনিষ্ঠতার ফুটেজ তিনি পেয়ে যান। সেটি এরপর তিনি আদালতে প্রমাণ হিসাবে দাখিল করেন। আদালতে সেই প্রমাণ গ্রাহ্যও হয়।
তাইওয়ানের আদালত সাফ জানায় ফুটেজ থেকে পরিস্কার যে ওই মহিলার অন্য পুরুষের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। মহিলা ও তাঁর পুরুষ বন্ধুকে আদালত নির্দেশ দেয় মহিলার স্বামীকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে তাঁদের তাইওয়ানের মুদ্রায় ৫ লক্ষ নিউ তাওয়ান ডলার দিতে হবে।
ভারতীয় মুদ্রায় তা ১৫ লক্ষ টাকার সমান। এই ক্ষতিপূরণ পাওয়া এবং স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক আদালতে প্রমাণ করে দেওয়ার আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।
ওই ব্যক্তির স্ত্রী এরপর পাল্টা একটি মামলা করেন। তাতে তিনি দাবি করেন তাঁকে কিছু না জানিয়েই তাঁর ব্যক্তিগত পরিসরে ঢুকেছেন তাঁর স্বামী। তাঁর ব্যক্তিগত ছবি লুকিয়ে তুলেছেন।
আদালত স্ত্রীর এই দাবি মেনে নেয়। স্ত্রীকে না জানিয়ে লুকিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ছবি তোলার অপরাধে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে। শাস্তি হিসাব ৫ মাসের কারাবাস এবং জরিমানাও করে। জরিমানার অঙ্ক ভারতীয় মুদ্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা। খবরটি সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।











