Health

সময়ের আগেই বয়ঃসন্ধির মুখে মেয়েরা, দেখায় লুকিয়ে কারণ

সব কিছুর একটা সময় আছে। শরীরের ক্ষেত্রে তা প্রকৃতিগতভাবে স্থির করা থাকে। কিন্তু মানুষের কিছু প্রবণতা সেই প্রকৃতির স্থির করা সময়কে ভেঙে দিচ্ছে।

একটা বিষয় এখন অনেক সময় নজর কাড়ছে। বালিকা অবস্থা থেকে রজঃস্বলা হওয়ার প্রকৃতিগতভাবে যে সময় রয়েছে তার অনেক আগেই রজঃস্বলা হয়ে পড়ছে মেয়েরা। দ্রুত আসছে বয়ঃসন্ধি। এটা বেশ নজরকাড়া সমস্যা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।

মেয়েদের রজঃস্বলা হওয়ার একটা সময় রয়েছে। যাকে ১১ বা ১২ বছর ধরা হয়। কয়েকজনের ক্ষেত্রে তা সামান্য কম বেশি হতে পারে।

কিন্তু এই স্বাভাবিক সময়ের অনেক আগেই অনেক বালিকা রজঃস্বলা হয়ে পড়ছে বা পিরিয়ড শুরু হয়ে যাচ্ছে তাদের। এর একটি অন্যতম কারণ কিন্তু নির্দেশ করতে পেরেছেন চিকিৎসকেরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাভাবিক সময়ের অনেক আগেই রজঃস্বলা হওয়ার পিছনে রয়েছে মোবাইল। মোবাইল যখন দেখা হয় তখন তার থেকে একটি নীল রশ্মি বার হয়। দিনের অনেকটা সময় সেই নীল রশ্মি যদি শরীরে পড়তে থাকে তাহলে তা ক্ষতি করতে শুরু করে।

দেখা যাচ্ছে বালিকাদের ক্ষেত্রে তাদের ডিম্বাশয়ে প্রভাব বিস্তার করছে এর কুফল। যা তাদের হরমোনে পরিবর্তন আনছে। আর তাতেই অনেক সময় সময়ের অনেক আগেই তারা রজঃস্বলা হয়ে পড়ছে।

যদিও বিশেষজ্ঞেরা জানিয়েছেন মোবাইলে চোখ রাখলেই এমনটা হয় তেমন কিন্তু নয়। যারা দিনে ৬ থেকে ১২ ঘণ্টা প্রাত্যহিকভাবে মোবাইলে চোখে রেখে দেয় তাদের ক্ষেত্রেই এমনটা দেখা যাচ্ছে।

ফলে মোবাইলে প্রয়োজনটুকু মিটলে আর তা নিয়ে বসে থাকাটা কিন্তু বালিকাদের অনেক কম বয়স থেকেই সমস্যা ফেলে দিচ্ছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button