অতি বিশাল কুমিরের পেটে পাওয়া গেল আংটি পরা মানুষের হাত, ৬ জোড়া জুতো
ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের লেখা কুম্ভীর বিভ্রাট যাঁরা পড়েছেন তাঁরা এই ঘটনা শুনলে একটা মিল খুঁজে পেতে পারেন। গল্পের পাতা থেকে যেন বাস্তব হল অনেককিছু।
এক হোটেল ব্যবসায়ীর খোঁজ না পাওয়ায় তাঁর খোঁজ শুরু হয়েছিল। পুলিশের তরফে খোঁজ চালানো হচ্ছিল কোমাতি নদীর দুর্গম জঙ্গলঘেরা এলাকায়। ড্রোনের সাহায্যে চলছিল খোঁজ। সঙ্গে ছিল পুলিশের হেলিকপ্টারও।
কোমাতি যে কুমিরের নিশ্চিন্ত আশ্রয় তা স্থানীয়রা সকলেই জানেন। সেখানেই একটি জায়গায় নদীর ধারে একটি অতিকায় কুমিরের দেখা পান উদ্ধারকারীরা।
ড্রোনের সাহায্যে দেখা যায় কুমিরটি মোটেও নড়তে পারছেনা। তার পেট বিশাল ফুলে আছে। তার চেহারাটিও বিশাল। বিশেষজ্ঞেরা বুঝতে পারেন কুমিরটি সবে কিছু খেয়েছে। ফলে সে তার নড়ার ক্ষমতা হারিয়েছে।
পুলিশের তরফে প্রয়োজনীয় নির্দেশ নিয়ে কুমিরটির প্রাণ নেওয়া হয়। তারপর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক পুলিশ আধিকারিক সেখানে নেমে কুমিরটিকে বেঁধে ফেলেন। তারপর সেটিকে হেলিকপ্টারে ঝুলিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
কুমিরটি এতটাই বড় যে তার চেহারা অবিশ্বাস্য। ১৫ ফুট লম্বা ও ৪৫৩ কেজি ওজনের কুমিরটির পেট কেটে দেখার চেষ্টা হয় কি আছে। আর তা দেখতে গিয়ে অবাক হয়ে যান সকলে।
দেখা যায় তার পেটের মধ্যে মানুষের দেহাংশ রয়েছে। যা তখনও হজম হয়নি। যার মধ্যে ২টি হাত পাওয়া যায়। যার একটিতে আঙুলে পরা একটি আংটি দেখতে পান আধিকারিকরা। সেটা ওই হারিয়ে যাওয়া হোটেল ব্যবসায়ীর বলে মনে করা হচ্ছে।
ওই ব্যক্তি কোনওভাবে কোমাতি নদীর জলে ভেসে যান। তারপরই তিনি ওই কুমিরের খপ্পরে পড়ে যান বলে মনে করা হচ্ছে। এখনও পুরো বিষয়টি নিশ্চিত না হলেও পুলিশের সন্দেহ ওই দেহাংশ গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তা নামে ওই বছর ৬০-এর হোটেল ব্যবসায়ীরই।
ঘটনাটি আলোড়ন ফেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। নিউ ইয়র্ক পোস্ট সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর অনেক সংবাদমাধ্যমেই খবরটি প্রকাশিত হয়।












