National

দেশে অ্যাকটিভ রোগী বাড়ল, বাড়ল মৃত্যুও

দেশে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যার চেয়ে একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়ল। মৃতের সংখ্যাও ১০০-র ওপর রইল।

নয়াদিল্লি : জানুয়ারি মাস জুড়েই দেশে দৈনিক সংক্রমণ ২০ হাজারের নিচে ঘুরপাক খেয়েছে। ১০ হাজারি ঘরে ২ বার পৌঁছলেও তা ধরে রাখতে পারেনি দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা। তবে জানুয়ারির একটা অংশ জুড়ে ১৫ হাজারের নিচে ঘুরেছে সংক্রমণ।

সেই ১৫ হাজারের নিচে ঘুরপাক খাওয়া সংক্রমণের সংখ্যা ফেব্রুয়ারিতেও একই ধারা বজায় রেখেছে। এদিন সংক্রমিত হয়েছেন ১২ হাজার ১৪৩ জন। এদিন দেশে ৭ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬১৪টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির হাত ধরে দেশে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা এদিন ১ কোটি ৮ লক্ষ ৯২ হাজার ৭৪৬ জনে দাঁড়িয়েছে। সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা এদিন কিন্তু সংক্রমিতের চেয়ে কম হয়েছে। ফলে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে।

দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫৭১ জনে। একদিনে বেড়েছে ৬৪৫ জন। করোনা অ্যাকটিভ রোগীর হার রয়েছে ১.২৫ শতাংশে।


নতুন বছরে ২০০-র ঘরেই ছিল দেশে দৈনিক করোনায় মৃত্যু। দৈনিক করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০-র নিচেই থাকছিল। তবে ফেব্রুয়ারিতে গত ১০ দিনের মধ্যে ৬ দিনই তা ১০০-র নিচে রইল। এদিন অবশ্য সেই ধরা বজায় থাকেনি। এদিন মৃত্যু হয়েছে ১০৩ জনের।

এদিনের মৃতের সংখ্যার হাত ধরে দেশে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৫৫০টি। ১.৪৩ শতাংশে রয়েছে মৃত্যুর হার।

এদিকে গত একদিনে দেশে রাজ্য ভিত্তিক যে মৃতের সংখ্যার খতিয়ান সামনে এসেছে তাতে করোনায় মৃত্যুর নিরিখে কিছুটা পিছনে চলে গেছে পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যে মৃত্যু গত দিন ৪ জন হওয়ার সুবাদেই এটা সম্ভব হয়েছে।

গত একদিনে মহারাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের। কেরালায় মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। পঞ্জাব ও কর্ণাটকে ৮ জনের। পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু যেমন বেড়ে চলেছে তেমনই অন্যদিকে তাল মিলিয়ে বাড়ছে সুস্থ হয়ে ওঠার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১ হাজার ৩৯৫ জন।

এর হাত ধরে দেশে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের মোট সংখ্যা ১ কোটি ৬ লক্ষ পার করল। দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৬ লক্ষ ৬২৫ জন। সুস্থতার হার রয়েছে ৯৭.৩২ শতাংশে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article
Back to top button