Sports

কিউয়িদের লজ্জার হারে সিরিজ ভারতের, ভেল্কি দেখালেন মিশ্র

বিশাখাপত্তনমে শনিবারের দুপুরে অনেক আশা নিয়ে একটা টানটান লড়াই উপভোগ করতে হাজির হয়েছিলেন দর্শকেরা। এজন্য ম্যাচের টিকিট পেতে অনেকে মোটা টাকা খরচও করেছিলেন। কিন্তু উত্তেজনার উত্তাপে, হৃদপিণ্ডের ধুকপুকুনি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করা হল কই! শুরুতে টস জেতা দিয়ে দিন শুরু করেছিল ভারত। টস জিতে প্রথমে ব্যাট। তারপর রোহিত শর্মার ৭০ রান, কোহলির ৬৫ রান, ধোনির ৪১ রান এবং কেএম যাদবের ৩৯ রানের সুবাদে ৫০ ওভারের শেষে ভারতীয় ব্রিগেডের স্কোর গিয়ে দাঁড়ায় ২৬৯ রানে। জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৭০ রান। খুব বড় রান নয়। ধরে খেললে জেতাও কঠিন নয়। কিন্তু কিউয়ি ব্যাটসম্যানেরা এদিন কোন এক অজানা কারণে ক্রিজে দাঁড়ালেনই না!

আয়ারা‌ম-গয়ারামের খেলায় লজ্জাজনক স্কোরে কার্যত ভারতের হাতে খেলা তুলে দিলেন তাঁরা। ল্যাথাম ১৯, উইলিয়ামসন ২৭ ও টেলরের ১৯ রান বাদ দিলে কেউ ২ অঙ্কেও পৌঁছতে পারেনি। ০ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন ৫ জন! নিট ফল ভয়ংকর। ২৩ ওভারেই সব উইকেট শেষ। স্কোর বোর্ডে রান তখন মাত্র ৭৯। যারমধ্যে আবার অতিরিক্তের খাতায় ৬‍! এদিনের জয়ের নায়ক ধরা হচ্ছে অমিত মিশ্রকে। যাঁর ঘূর্ণি কিউয়িদের ৫টি উইকেট তুলে নেয় হেলায়। যদিও এদিনের ম্যাচ বলেই নয় গোটা একদিনের সিরিজেই লাগাতার নিজের ফর্ম ধরে রেখেছিলেন অমিত। যার পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। এদিন ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ম্যান অফ দ্যা সিরিজের সম্মানও গেছে তাঁরই ঝুলিতে। আর ৩-২ ম্যাচে সিরিজ জিতে নিয়েছে ধোনি ব্রিগেড।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *