Lifestyle

জঞ্জাল হিসাবে পড়ে থাকা জিনস বিক্রি হল ৭২ লক্ষ টাকায়

কার্যত তা জঞ্জাল হয়ে পড়েছিল। সেটাই হয়ে উঠল বহুমূল্য। স্তূপ থেকে তুলে আনার পর তা বিক্রি হয়ে গেল। যার দাম পাওয়া গেল ৭২ লক্ষ টাকা।

জিনস যাঁরা পরেন তাঁরা ডেনিম শব্দটির সঙ্গে পরিচিত। এই ডেনিম জিনসের পুরাতত্ত্ববিদ হিসাবে নিজেকে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি নেমে পড়েছিলেন একটি পরিত্যক্ত খনিতে।

বহু পুরনো ওই খনি থেকে খনিজ উত্তোলন অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। হেলায় পড়ে থাকা খনির মধ্যে যা রয়ে গেছে তা জঞ্জালের স্তূপ হয়ে সেখানেই পড়ে আছে।

সেই জঞ্জাল ঘাঁটতেই পরিত্যক্ত খনিটিতে ঢুকেছিলেন ওই ব্যক্তি। সেখানেই জঞ্জাল ঘেঁটে একটি জিনস পান তিনি। লিভাই সংস্থার ওই জিনসটি ১৮৮০ সালের।

মনে করা হচ্ছে খনিতে কাজ করা কোনও শ্রমিক ওই জিনসটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেখানে ফেলে যান। সেটি মিশেল হ্যারিস নামে ওই স্বঘোষিত ডেনিম পুরাতত্ত্ববিদ তুলে নিয়ে আসেন।

সেটি ভাল করে সাফ করে নেওয়ার পর দেখা যায় জিনসটি পরার মত অবস্থায় এখনও রয়েছে। তবে তা একটু ঠিক করে নিতে হবে।

এই ১৪৩ বছর পুরনো জিনসটির মত আর একটিই জিনস এখনও রয়েছে বলে জানা যায়। যা পরার মত অবস্থায় নেই। এটিই সেক্ষেত্রে একমাত্র এতটা পুরনো জিনস যা এখনও পরার মত অবস্থায় রয়েছে।

পশ্চিম আমেরিকার পরিত্যক্ত খনি থেকে উদ্ধার হওয়ার পর জিনসটি নিলামে তোলা হয়। অ্যাজটেক শহরের কাছে একটি উৎসবে সেটি নিলাম হয়।

পুরাতনি দিক থেকে অতি বিরল বাকলব্যাক অ্যাডজাস্টার থাকা জিনসটির দাম ওঠে ভারতীয় মুদ্রায় ৭২ লক্ষ টাকা! তাতেই বিক্রি হয় ১৮৮০ সালের বিরল এই জিনস।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button