National

মহারাষ্ট্রে মৃত্যু কমতেই দেশে কমল মৃত্যু

মহারাষ্ট্র, কেরালার হাত ধরে দেশে সংক্রমণ কিন্তু এখন উর্ধ্বমুখী। এদিন মহারাষ্ট্রে একদিনে মৃত্যু অবশ্য কিছুটা হলেও কমেছে। যার হাত ধরে দেশেও কমল মৃত্যু।

নয়াদিল্লি : ফেব্রুয়ারির শুরুতে দেশে দৈনিক সংক্রমণ ১৫ হাজারের নিচেই থেকেছে। মার্চে তা প্রধানত ১৫ হাজারের ওপরই ঘোরাফেরা করছে। এদিন সংক্রমিত হয়েছেন ১৫ হাজার ৩৮৮ জন। মহারাষ্ট্র, কেরালা তো বটেই এখন পঞ্জাব, কর্ণাটক, তামিলনাড়ুর মত রাজ্যেও বাড়ছে সংক্রমণ।

সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে থাকায় দেশে ক্রমশ অ্যাকটিভ রোগী সংখ্যা বাড়ছে। এদিন অবশ্য অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমেছে। এদিন দেশে ৭ লক্ষ ৪৮ হাজার ৫২৫টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির হাত ধরে দেশে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা ১ কোটি ১২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা এদিন কিন্তু সংক্রমিতের চেয়ে বেশি হয়েছে। ফলে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমেছে।

এদিন দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৮৭ হাজার ৪৬২ জনে। একদিনে কমেছে ১ হাজার ২৮৫ জন। এদিকে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমায় অ্যাকটিভ রোগীর শতাংশের হারও ফের কমেছে। কমে ১.৬৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর হার।


ফেব্রুয়ারির বেশিরভাগ দিন ১০০-র নিচেই থেকেছে মৃতের সংখ্যা। কোনও দিন ১০০-র বেশি তো কোনও দিন কম হচ্ছিল দৈনিক মৃতের সংখ্যা। বরং মাসের শেষের দিকে মৃতের সংখ্যা বেড়েছিল।

মার্চেও সেই ১০০-র আশপাশেই ঘুরছে মৃতের সংখ্যা। এদিন মৃত্যু হয়েছে ৭৭ জনের। এদিনের মৃতের সংখ্যার হাত ধরে দেশে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৩০টি।

মৃত্যুর হার এদিন কমেছে। ১.৪১ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ১.৪০ শতাংশ। গত একদিনে দেশে রাজ্য ভিত্তিক যে মৃতের সংখ্যার খতিয়ান সামনে এসেছে তাতে করোনায় মৃত্যুর নিরিখে কিছুটা পিছনেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যে গত দিন ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত একদিনে মহারাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। কেরালায় মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু যেমন বেড়ে চলেছে তেমনই অন্যদিকে তাল মিলিয়ে বাড়ছে সুস্থ হয়ে ওঠার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬ হাজার ৫৯৬ জন। এর হাত ধরে দেশে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৮ লক্ষ ৯৯ হাজার ৩৯৪ জন।

সুস্থতার হার ৯৭ শতাংশে পৌঁছেও এখন ফের তা নেমে ৯৬ শতাংশের ঘরে চলে এসেছে। এদিন সুস্থতার হার ৯৬.৯১ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৬.৯৩ শতাংশ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article
Back to top button