World

এ দেশে প্রবেশ করলেই পিছিয়ে যেতে হবে ৮ বছর, বিলও হবে ৮ বছর পুরনো

বিশ্বে এমনও একটা দেশ রয়েছে যারা বাকি বিশ্বের চেয়ে ৮ বছর পিছিয়ে থাকে। সেখানে বাইরে থেকে কেউ প্রবেশ করলে তিনি একলাফে ৮ বছর পিছিয়ে যাবেন।

২০২২ সালে যদি কেউ এ দেশে প্রবেশ করেন তাহলে তিনি সেখানে রয়েছেন ২০১৪ সালে। ৮ বছর পিছনে। কেউ যদি সে দেশে বেড়াতে যান তাহলে ওই দেশের সীমানায় বিমান প্রবেশ করা মানেই তিনি ৮ বছর পিছনে চলে গেলেন। কারণ সে দেশের যেখানেই তাকাবেন দেখবেন ৮ বছর আগের বছর দেখতে পাবেন।

এমনকি কোথাও কিছু কিনলে বা অন্য কোনও বিল তৈরি হলে সেখানে কিন্তু ৮ বছর আগের সাল দেখাবে। সেটাই সেখানে সেই দিন বা বর্তমান।

কতকটা টাইম মেশিনের মত শোনালেও এটাই সত্যি। আফ্রিকার সবচেয়ে পুরনো স্বাধীন রাষ্ট্র ইথিওপিয়া। এই ইথিওপিয়া কিন্তু বাকি বিশ্বের চেয়ে ৮ বছর পিছিয়ে থাকে। পিছনে রয়েছে কারণও।

সারা বিশ্ব যেখানে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে, সেখানে ইথিওপিয়া ব্যবহার করে ইথিওপিয়ান ক্যালেন্ডার। আর সেই চিরাচরিত রীতি তারা এখনও বদলায়নি।

ইথিওপিয়ার ক্যালেন্ডার গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার থেকে ৮ বছর পিছিয়ে থাকে। ইথিওপিয়ান ক্যালেন্ডারে ১২ মাসও হয়না। হয় ১৩ মাস।

ইথিওপিয়ার ক্যালেন্ডারে ১২টি মাস হয় ৩০ দিনে। আর বছরের বাকি পড়ে থাকা দিনগুলি নিয়ে তৈরি হয় ত্রয়োদশ মাস। অর্থাৎ ১৩ মাসে বছর হয় ইথিওপিয়ার।

ইথিওপিয়ার এই ৮ বছর পিছিয়ে থাকা এখানে অন্য দেশ থেকে কাজে বা ঘুরতে আসা মানুষজনকে সমূহ সমস্যার মুখে ফেলে দেয়। সেখানকার তারিখ ও সাল দেখে তা বদলে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে ফেলে প্রতি নিয়ত দেখতে হয় সেদিনের তারিখ।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button