দিন ও রাত প্রায় সমান হবে, আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা, আসছে সেই বিরল মুহুর্ত

এ এমন এক দিন যেদিন দিন ও রাত প্রায় সমান সময় ধরে চলে। এমন এক বিরল দিন এসে পড়ল দরজায়। সূর্য এক বিশেষ স্থানে অবস্থান করে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্মিত চিত্রে ভারতের গ্রাম, প্রতীকী ছবি

ছাত্রাবস্থায় ভূগোল বইতে অনেকেই জলবিষুব এবং মহাবিষুবের কথা পড়েছেন। এবার সেই জলবিষুব দরজায় কড়া নাড়ছে। যেদিন সূর্যের আলো নিরক্ষরেখার ওপর লম্বা ভাবে পড়ে।

বছরের মধ্যে ২ বার সূর্যের আলো লম্বাভাবে বিষুবরেখার ওপর পড়ে। যখন সূর্যের দক্ষিণ গোলার্ধে যাত্রা শুরু হয় তখন আর যখন সূর্যের উত্তর গোলার্ধে যাত্রা শুরু হয় তখন।

জলবিষুব সূর্যের দক্ষিণ গোলার্ধে প্রবেশের ঠিক আগের দিন। যেদিন তা ঠিক মধ্যখানে অর্থাৎ বিষুবরেখার ওপর অবস্থান করে। বিষুব শব্দটা তাই জলবিষুব ও মহাবিষুবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

প্রতিবছর জলবিষুব হয় ২৩ বা ২৪ সেপ্টেম্বর। তবে খাতায় কলমে ২৩ সেপ্টেম্বরকেই জলবিষুব বলে ধরা হয়। আর ২১ মার্চকে মহাবিষুব। সূর্যের আলো এবার লম্বাভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে পড়তে শুরু করবে।

এভাবে তা ক্রমে অগ্রসর হয়ে মকরক্রান্তি রেখা পর্যন্ত যাবে। তারপর ফের ফেরত আসবে বিষুবরেখার দিকে। ২১ মার্চ বিষুবরেখায় পৌঁছবে। তখন হবে মহাবিষুব।

তারপর তা আবার উত্তর গোলার্ধের উপর লম্বাভাবে আলো ফেলে এগিয়ে যাবে কর্কটক্রান্তি রেখার দিকে। এই সময়টা ভারত সহ উত্তর গোলার্ধে অবস্থানরত দেশগুলিতে গ্রীষ্মকাল।

২৩ সেপ্টেম্বর দরজায়। ফলে এবার সূর্য জলবিষুব পার করে দক্ষিণ গোলার্ধে লম্বভাবে আলো ফেলবে। তাই উত্তর গোলার্ধে ক্রমে ঠান্ডা বাড়তে শুরু করবে। বাংলায় শরৎকালের মাঝামাঝি জলবিষুব আসে। তারপর ক্রমে শরত পার করে হেমন্ত ও শীত কাটে দেশের মানুষের।