বিশ্বকর্মা পুজো মানেই দুর্গাপুজোর আমেজ এসে পড়া। সেই বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজনে খামতি নেই এ বছরও। তবে বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর কেনাকাটার মাঝে বৃষ্টি বাধ সেধেছে। সকাল থেকে আকাশ ছিল মেঘলা। দুপুরের দিকে আকাশ কালো করে আসে।
ঠান্ডা হাওয়া বইতে থাকে। তারপর মেঘ গর্জে বৃষ্টিও নামে। ফলে বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজনে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটেছে। যাঁরা পুজো করেন তাঁদের চিন্তা একটাই। পুজোর দিন বৃষ্টি হবেনা তো?
আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে বৃষ্টি হবে। বাংলা জুড়ে সব জেলাতেই বিশ্বকর্মা পুজোর দিন হলুদ সতর্কতা রয়েছে। বজ্র বিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তাই বিশ্বকর্মা পুজোয় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি থেকে হয়তো রেহাই পাওয়া মুশকিল। তবে টানা বৃষ্টি বা ঝেঁপে বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। হবে আবার থেমেও যাবে।
বিশ্বকর্মা পুজো মানেই তার সঙ্গে ঘুড়ি কথাটা একসঙ্গে এসে পড়ে। যাঁরা আকাশের বুকে ঘুড়ি উড়িয়ে ভোকাট্টার আনন্দে মেতে উঠতে চান তাঁদের জন্যও এই পূর্বাভাস মোটেও সুখের নয়। কারণ বৃষ্টি হলে ঘুড়ি উড়বে না।
বাতাসে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকলেও ঘুড়ি ভাল উড়বে না। তবে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাসের হাত ধরে একেবারেই আশা ছাড়ছেন না ঘুড়ি বিলাসীরা। তৈরি থাকছেন সকাল থেকেই মাঞ্জা সুতোয় ঘুড়ি বেঁধে আকাশ শাসন করতে।
বৃষ্টি অবশ্য শুধু শুক্রবার অর্থাৎ বিশ্বকর্মা পুজোর দিন হবে এমনটা নয়। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি চলবে রবিবার পর্যন্ত। এমনই পূর্বাভাস। বরং উত্তরবঙ্গে শুক্রবারের পর তেমন বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই।