তিমির হাত ধরে মানুষ ২০০ বছরও বাঁচতে পারে, বলছে গবেষণা
সমুদ্রের সবচেয়ে বড় চেহারার প্রাণি তিমি। তার হাত ধরে এবার মানুষের আয়ু ২০০ বছরও হয়ে যেতে পারে। বলছে গবেষণা।
সমুদ্রে রাজকীয় চালে যে প্রাণি চিরদিন দাপটে শাসন করেছে তার নাম তিমি। অতিকায় চেহারার এই প্রাণি বাঁচেও অনেকদিন। তিমিমাছের নানা প্রকার রয়েছে। তারই একটি হল বোহেড তিমি।
এই বোহেড তিমি থাকে ঠান্ডা জলে। সুমেরুর কাছে সমুদ্রে এদের বাস। বাঁচার নিরিখেও এই তিমির আয়ুষ্কাল নজর কাড়া। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এই তিমি মাছের একটি প্রোটিন নিয়ে গবেষণা করে হতবাক হয়ে গেছেন।
সিআইআরবিপি নামে একটি বিশেষ প্রোটিন এদের দেহে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। যা এদের ডিএনএ-এর ক্ষতি রুখে দেয়। ডিএনএ-এর ক্ষতি হলে স্তন্যপায়ীদের মধ্যে রোগভোগের পরিমাণ বাড়ে। ছোট হতে থাকে আয়ু। কিন্তু এই প্রোটিন শরীরে বাড়াতে পারলে তা ডিএনএ–কে রক্ষা করবে। এতে সহজে অসুখ হবেনা। আয়ু বাড়বে।
বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যেই একটি গবেষণায় এ বিষয়ে সাফল্য পেয়েছেন। তবে এখনও এ নিয়ে আরও অনেক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে তাঁরা। তবে এই সিআইআরবিপি মানুষের দেহে বাড়াতে পারলে যে মানুষের আয়ু বাড়বে এতে প্রায় নিশ্চিত বিজ্ঞানীরা।
তাঁরা দেখেছেন এই প্রোটিন বাড়াতে পারে ঠান্ডা। ঠান্ডায় এই প্রোটিন বাড়ে। সেই কারণেই বোহেড তিমির দেহে এই প্রোটিন প্রচুর পরিমাণে থাকে। সেক্ষেত্রে কি তাহলে মানুষকে বরফ জলে স্নান করানো বা এমন কোনও পদক্ষেপ করতে হবে?
এগুলি নিয়ে গবেষণা চলছে। তবে এই প্রোটিন যদি মানুষের দেহে বাড়ানো সম্ভব হয় তাহলে মানুষের আয়ু ২০০ বছর পর্যন্তও হয়ে যেতে পারে। নেচার পত্রিকায় এই গবেষণার খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর রীতিমত শোরগোল পড়ে গেছে।














