Entertainment

৩ হাজার নীল মানুষে ভরে গেল চারধার, যোগ রয়েছে ১৯৫৮ সালের

সেই কবেকার কথা। সময়টা ১৯৫৮ সাল। তার সঙ্গে জুড়ে গেল একটা মাঠে ৩ হাজারের ওপর নীল মানুষের একত্র হওয়া।

১৯৫৮ সাল। বেলজিয়ামের বিখ্যাত কার্টুনিস্ট ছিলেন পিয়ের কালিফোর্ড। যাঁকে সকলে চিনতেন পেয়ো নামে। তিনি সে সময় তৈরি করেন এক নতুন কার্টুন চরিত্র। নাম দেন ‘স্মুফস’। যা আদপে ছিল একটি ফরাসি শব্দ।

কেমন ছিল সেই কার্টুন চরিত্র? একটি নয়, একটি গোটা তল্লাট জুড়ে ছিল নীল মানুষেরা। তাদের মাথায় থাকত সাদা টুপি। কোমর থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত ঢাকা থাকত সাদায়। এদের নিয়েই নানা কাহিনি সৃষ্টি করেন পেয়ো।

সেই কার্টুন চরিত্র এবার পর্দায় চলচ্চিত্র হয়ে সামনে এল। সদ্য মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির নাম ‘স্মুফস’। সিনেমাটি তৈরি হয়েছে প্যারামাউন্ট পিকচার্স-এর ব্যানারে। তাই প্যারামাউন্ট পিকচার্স মোটা অর্থ ব্যয় করল এই সিনেমার এক অন্য ধারার প্রচারে।

ফ্রান্সের লন্ডারনুঁ শহরে এক অভিনব আয়োজন করে প্যারামাউন্ট পিকচার্স। যেখানে ৩ হাজার ৭৬ জন মানুষ স্মুফস সেজে হাজির হয়েছিলেন। তাঁদের শরীর ছিল নীল রংয়ে মোড়া। দোলের দিনের মত গায়ে নীল রং মেখেছিলেন তাঁরা।

নারী পুরুষ নির্বিশেষে নানা বয়সের মানুষ এই নীল মানুষ সাজায় অংশ নেন। তাঁদের শরীরী ভাষা বলে দিচ্ছিল সবুজ ঘাসের গালিচায় মোড়া মাঠের মাঝে তাঁরা এই বিখ্যাত কার্টুন চরিত্রের পোশাকে নিজেদের উপস্থাপিত করতে পেরে কতটা খুশি।

তাঁদের এই নীল মানুষ স্মুফস সেজে অংশগ্রহণ একটি বিশ্বরেকর্ডও গড়ে ফেলেছে। এর আগে এই স্মুফস সেজেই জার্মানিতে জড়ো হয়েছিলেন ২ হাজার ৭৬২ জন। সেটাই ছিল স্মুফস সাজার রেকর্ড। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে দিল সিনেমার এই অভিনব প্রচার কৌশল।

Show Full Article
nilkantho.in app

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *