ভারতীয় বিজ্ঞানীদের বড় সাফল্য, বামন ছায়াপথে লুকিয়ে থাকা ব্ল্যাক হোলের কথা বিশ্বকে জানালেন তাঁরা
আকাশগঙ্গায় ঘুরপাক খাচ্ছে অনেক বামন ছায়াপথ। আর সেখানেই লুকিয়ে আছে কৃষ্ণগহ্বররা। ভারতীয় বিজ্ঞানীরা খুঁজে বার করলেন সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য।
পৃথিবী থাকা সৌরমণ্ডলের মত বহু সৌরমণ্ডল পাক খাচ্ছে আকাশগঙ্গা বা মিল্কি ওয়েতে। সেখানেই অনেক ছায়াপথ পাক খাচ্ছে। যা আকারে অনেকটাই ছোট। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা তাদের বলেন ডোয়ার্ফ গ্যালাক্সি বা বামন ছায়াপথ।
এই ধরনের যে সব ছায়াপথ রয়েছে সেসব ছায়াপথই জন্ম দিচ্ছে কৃষ্ণগহ্বরের। তাদের মধ্যেই লুকিয়ে আছে কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল। যারা আকারে বিশাল নয়।
উন্নতমানের স্টেলার কাইনেম্যাটিক ডেটা ব্যবহার করে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্স-এর ২ গবেষক কে আদিত্য এবং অরুণ মঙ্গলম মিল্কি ওয়েতে পাক খাওয়া অনেক ডোয়ার্ফ গ্যালাক্সির মাঝে কৃষ্ণগহ্বর থাকার কথা জানিয়েছেন। যা মহাকাশ বিজ্ঞানে ভারতীয় ২ বিজ্ঞানীর অবদান হয়ে থাকবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফেও এই কাজের প্রশংসা করে জানানো হয়েছে ২ বিজ্ঞানীর এই খোঁজ শুধু তাত্ত্বিক দিক থেকেই নয়, আগামী দিনে পর্যবেক্ষণের দিক থেকেও উপকারি প্রমাণিত হবে। এই কাজ আগামী দিনে মহাকাশ বিজ্ঞান চর্চায় বিশেষ কার্যকরি ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।
ক্ষুদ্র ছায়াপথ এবং কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে আগামী দিনে চর্চায় এই কাজ নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার করবে বলেও মনে করা হচ্ছে। সাধারণত বড় ছায়াপথ এবং সেখানে তৈরি হওয়া কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে অনেক কাজ হয়েছে।
কিন্তু এই যে মিল্কি ওয়েকে ঘিরে পাক খাওয়া অতি ক্ষুদ্র গ্যালাক্সিগুলি, যাদের ভাল করে দেখা পর্যন্ত যায়না, অত্যন্ত হালকা ভাবে নজর কাড়ে। যারা ডার্ক ম্যাটারের কারণে নজর থেকে দূরেই থাকে। সেখানে যে এমন কৃষ্ণগহ্বরের হদিশ রয়েছে তা এই ২ ভারতীয় বিজ্ঞানীর কাজ স্পষ্ট করল। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা
