সরকারি ফোন থেকে ইন্টারনেট, সব স্তব্ধ করে দিল কাঠবিড়ালি

সরকারি স্তরে কার্যত হাহাকার ফেলে দিল একটি ছোট্ট প্রাণি। সরকারি বিভিন্ন অফিসের সব ইন্টারনেট একসঙ্গে স্তব্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় ফোন।

কাঠবিড়ালি, প্রতীকী ছবি

সরকারি স্তরে ইন্টারনেট এবং ফোন ২টিই গুরুত্বপূর্ণ। পুরো কাজটাই নির্ভর করে থাকে এর ওপর। একটি জায়গার সব সরকারি অফিসের ফোন যদি একসঙ্গে অচল হয়ে যায়, যদি তার সঙ্গে দোসর হয় ইন্টারনেট না থাকা, তাহলে যে হাহাকার পড়ে যাওয়ার সেটাই হয়েছিল।

সরকারি কাজে ফোন তো সারাক্ষণের সঙ্গী। কেউ কারও সঙ্গে কথা বলতে পারছেন না। সরকারি দফতরের কাজ এগোচ্ছে না। আবার এখনকার দিনে ইন্টারনেট ছাড়া সরকারি কাজ এক পাও এগোতে পারেনা। কারণ এখন সবই ইন্টারনেট নির্ভর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে চলে। সব স্তব্ধ হয়ে যায় এক মুহুর্তে।

আমেরিকার ওহিও-র একটি কাউন্টিতে ফোন ও ইন্টারনেটের ফাইবার মাটির তলা দিয়ে গেছে। প্রথমে মনে করা হয়েছিল হয়তো ভুল করে কোনও কন্ট্রাক্টর মাটির তলার ফাইবার কেটে ফেলেছে। কিন্তু পরে সব ভুল ভেঙে যায়।

পরে কাউন্টির প্রশাসনিক বিভাগের আধিকারিক একটি বৈঠকে জানান, কোনও কনট্রাক্টরের কাজ এটা নয়। সরকারি সব ফোন ও ইন্টারনেট স্তব্ধ করে দিয়েছিল একটি কাঠবিড়ালি।

কাঠবিড়ালিটি তার বাসা বেঁধেছিল ফাইবার পরিকাঠামোর ওপর। বাসা বাঁধতে গিয়ে সে নির্বিচারে তার চিবিয়েছিল। যার জেরে স্তব্ধ হয়ে যায় সব সরকারি দফতরের ফোন এবং ইন্টারনেট পরিষেবা।

কাঠবিড়ালির তো কিছু করা যাবেনা। তবে আগামী দিনে যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারি স্তরে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।