তখন ২০০১ সাল। এক প্রাণি রক্ষা সংগঠনের হয়ে কাজ করতেন তিনি। এই সময় তিনি খবর পান এক বয়স্ক দম্পতি একটি কয়েক মাসের কুকুর শাবককে আর রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারছেন না। তাঁরা কাউকে সেটি তুলে দিতে চান।
শোনার পর ওই তরুণী দেখা করেন ওই দম্পতির সঙ্গে। দম্পতি তাঁর হাতে তুলে দেন তাঁদের সঙ্গে থাকা ছোট্ট চুহয়াওয়া প্রজাতির কুকুরটিকে।
জাতে মেক্সিকান কুকুর হলেও সেটি বড় হতে থাকে ওই তরুণীর কাছে। এখন তার বয়স ২১ বছর পার করেছে। এখন ওই তরুণীও মহিলা।
যখন ওই দম্পতি তাঁকে কুকুরটি দেন তখন তাঁরা তাকে পিনাট বাটার বলে ডাকতেন। তবে গিসেলা শোর তাকে নিজের কাছে আনার পর তার নাম বদলে রেখেছিলেন টবিকিথ। সেই টবিকিথ এখন ২১ বছর পার করেছে।
গিসেলার মনে হয় তবে কি তাঁর এই পোষ্যই বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক কুকুর? গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সব খতিয়ে দেখে টবিকিথকেই বিশ্বের সবচেয়ে বৃদ্ধ কুকুরের তকমা দিয়েছে।
টবিকিথ অত্যন্ত আদুরে। গিসেলার আদরে থাকে সে। তবে বয়সের কারণেই হয়তো এখন সারাদিনের অধিকাংশ সময় তার কাজ হল ঘুমিয়ে থাকা। খাওয়া ও মলমূত্র ত্যাগ বাদ দিলে সে কিছুটা গিসেলার আদরে কাটায়। বাকিটা ঘুমিয়ে।
বিশেষ নড়াচড়া তার এখন আর পছন্দ নয়। যদিও এই চুহয়াওয়া প্রজাতির কুকুর কিন্তু খুব বেশি হলে ১৬ বছর পর্যন্ত বাঁচে। সেদিক থেকে টবিকিথ ব্যতিক্রম।