অগুন্তি ছোটবড় নানা আকারের গাছে ভরা এক বিস্তীর্ণ অঞ্চলই জঙ্গল। যেখানে নানা পশুপাখির বাস। তবে সমুদ্রের তলায় এমন এক জঙ্গল রয়েছে যেখানে গাছ আছে ঠিকই তবে তা একেবারেই কাঠের নয়।
গাছ আছে কিন্তু কাঠের নয়! বিষয়টি একটু অবাক করা ঠেকতে পারে। কিন্তু এটাই বাস্তব। সাইপ্রাস ২০২১ সালে জলের তলায় একটি জঙ্গল তৈরি করে। যেখানে গাছ তৈরি হয়। মানুষ তৈরি হয়। সবই হয় কংক্রিট দিয়ে।
তার সঙ্গে এমন কিছু মেশানো হয় যাতে তা জলের সঙ্গে মিশতে না পারে। এমন ৯৩টি স্থাপত্য জলের তলায় জায়গা পায়। পারনেরা সমুদ্রসৈকতের অদূরে জলের তলায় এই জঙ্গল তৈরি করা হয়।
সেখানে ক্রেন দিয়ে স্থাপত্যগুলিকে প্রথমে পৌঁছে দেওয়া হয় জলের নানা তলে। ফলে কিছু স্থাপত্য জলের অনেকটা তলায়। কোনওটা তার চেয়ে উপরে।
গাছগুলি সমুদ্রের তলদেশের বালির ওপর বসানো হয়। গাছের পাতা অবশ্যই স্বাভাবিক পাতা নয়। কংক্রিটের তৈরি। একাধিক মানুষের মূর্তিও জলের তলায় জায়গা পায়।
সামুদ্রিক পরিবেশ পুনরুদ্ধার এবং সংরক্ষণকে সামনে রেখেই এই অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। এক ব্রিটিশ শিল্পী এই পুরো কাজটি করেন।
এই জলের তলার মিউজিয়ামের নাম দেওয়া হয় মুসান। এটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল প্রায় সাড়ে ১০ কোটি টাকা। এ এমন এক জঙ্গল যেখানে কেউ পায়ে হেঁটে ঘুরতে পারবেননা।