হরমুজের সমুদ্রসৈকতের টকটকে লাল মাটি খাওয়া থেকে সাজগোজ সবেতেই কাজে লাগে
এখন হরমুজ প্রণালী খবরের শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে। সেই হরমুজ দ্বীপের লাল মাটি কিন্তু নিজেই পৃথিবীর এক অন্যতম আশ্চর্য।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্যবাহী, তেলবাহী জাহাজ চলাচলে ইরানের নিষেধাজ্ঞা ভারতকেও চিন্তায় ফেলেছে। তবে যে হরমুজ দ্বীপের নামে এই হরমুজ প্রণালী, সেই হরমুজ দ্বীপের সমুদ্রসৈকত নিজে পৃথিবীর এক অন্যতম আশ্চর্য।
লাল সমুদ্রসৈকত বড় একটা দেখা যায়না। এখানে কিন্তু এই লালটা একটু বেশিই লাল। টকটকে লাল যাকে বলে। এমন লাল যে সমুদ্রের ঢেউও এখানে আসার পর লাল হয়ে ফেরে।
এই লাল মাটিতে হাত দিলে লাল রংটা চামড়ায় লেগে যায়। বৃষ্টি হলে এখান দিয়ে লাল রক্তস্রোতের মত জল বইতে থাকে। এই লালের কারণ অতিরিক্ত মাত্রায় আয়রন অক্সাইডের উপস্থিতি। যা এই দ্বীপকে আশ্চর্য রূপ দিয়েছে।
হরমুজ দ্বীপের বাসিন্দারা কিন্তু এই লাল মাটিকে নানাভাবে কাজেও লাগান। তাঁরা একে বলেন গুলাক। এই লাল মাটি দিয়ে তাঁরা একটা ফিশ সস বানান। যা বেশ সুস্বাদু হয়। রং হয় লাল।
আবার মহিলারাও অনেকসময় এই মাটি খেয়ে থাকেন যাতে শরীরে আয়রনের মাত্রা ঠিক থাকে। এই মাটির আরও গুণ রয়েছে। এই মাটি প্রসাধনের কাজেও ব্যবহার হয়।
বহুকাল ধরেই এই অঞ্চলের নারীদের সাজগোজে একটা বড় ভূমিকা নেয় হরমুজের সমুদ্রপারের এই লাল মাটি। হরমুজ দ্বীপের এই সমুদ্রসৈকতটি ব্লাড বিচ নামে পরিচিত। এই রেড বিচ কিন্তু ইরানের এক অতি আশ্চর্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নাম।













