এ প্রাণির হৃদযন্ত্র একটি গাড়ির সমান, হৃৎস্পন্দন শোনা যায় ৩ কিলোমিটার দূর থেকে
মানুষ তার হৃদযন্ত্রের আকৃতি জানে। এমনকি অন্যান্য প্রাণিকে দেখে আন্দাজ করতে পারে তার হৃদযন্ত্রের আকার। কিন্তু এমন এক প্রাণি আছে যার হৃদযন্ত্র গাড়ির সমান।
একটা সাধারণ চেহারার প্রাণির হৃদযন্ত্রের আকার কত বড় হতে পারে সে সম্বন্ধে মানুষের আন্দাজ রয়েছে। কিন্তু এমনও প্রাণি রয়েছে যার হৃদযন্ত্র অস্বাভাবিক রকম বড় হয়। হৃদযন্ত্রটি একটি ছোট গাড়ির সমান হয়ে থাকে।
আর সেই গাড়ির সমান হৃদযন্ত্র তার শরীরের সঙ্গে মানানসই। হৃদযন্ত্রটি এতটাই বড় যে তার হৃৎস্পন্দন ৩ কিলোমিটার দূর থেকেও শুনতে পাওয়া যায়। এ প্রাণি অবশ্য জমিতে ঘোরে না, জলে থাকে। সমুদ্রে তার অবাধ যাতায়াত। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণি বলা হয় তাকে।
নীল তিমি এমন এক অতি বিশাল হৃদপিণ্ডের অধিকারী। যা নিজেই একটি আশ্চর্য। জলে তারা যখন ভেসে যায় তখন তাদের হৃৎস্পন্দন ৩ কিলোমিটার দূরে থাকলেও স্পষ্ট শোনা যায়। এমন কোনও প্রাণি নেই যার হৃৎস্পন্দন ৩ কিলোমিটার দূর থেকে শোনা যাবে।
হৃৎস্পন্দন মানে নীল তিমির হৃদযন্ত্র একবার রক্ত পাম্প করছে। এই একবারে একটি নীল তিমি ২২০ লিটার রক্ত একসঙ্গে পাম্প করতে পারে। এই তিমিগুলির ওজন ১ লক্ষ ৫০ হাজার কেজি পর্যন্তও হতে পারে।
গভীর সমুদ্রে ভেসে যাওয়ার সময় নীল তিমির হৃৎস্পন্দনের গতি খুব মন্থর হয়। ১ মিনিটে হয়তো ২ বার স্পন্দন হল। এতটাই কম। পৃথিবীতে আরও এক বড় চেহারার প্রাণি হাতি। হাতির হৃদযন্ত্রও বেশ বড় হয়। নীল তিমির হৃদযন্ত্র একটি হাতির থেকে ১৪ গুণ বেশি বড় হয়ে থাকে।
