Monday , October 23 2017
Bengali Book Review

শারদীয়া হিসাবে ‘ময়ূরপঙ্খী’-র প্রথম প্রভাত

পূজাবার্ষিকীর ভিড়ে নিজের মত করে আত্মপ্রকাশ করল শারদীয়া ‘ময়ূরপঙ্খী’। একটা মন ভাল করা প্রয়াস। গল্প, কবিতা, ভ্রমণ, শিশুবিভাগ, রান্নাবান্না, চিকিৎসা। সব নিয়ে এক জমজমাটি শারদীয়া। যাঁদের চিকিৎসা শব্দটায় একটা খটকা লাগল, মানে শারদীয়ায় চিকিৎসা শব্দটা কিছুটা বেমানান মনে হল, তাঁদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখা ভাল ‘ময়ূরপঙ্খী’ পাঠকপাঠিকার হাতে পৌঁছেছে এক চিকিৎসক ও তাঁর পরিবারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়। চলতি বছরেই ম্যাগাজিন আকারে আত্মপ্রকাশ। ফলে এবারের দুর্গাপুজোই ‘ময়ূরপঙ্খী’-র প্রথম দুর্গাপুজো। প্রথম শারদ সংখ্যা। যা উৎকর্ষতার গুণে মনোগ্রাহী। ইতিমধ্যেই পাঠকপাঠিকার বাহবা কুড়িয়েছে ‘ময়ূরপঙ্খী’।

পেশায় চিকিৎসক। ফলে রাতদিন ব্যস্ততা তুঙ্গে। তার মাঝেও সময় বার করে মনের খিদেটা ‘ময়ূরপঙ্খী’ প্রকাশের মধ্যে দিয়ে মেটানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন চিকিৎসক প্রভাত ভট্টাচার্য। যে প্রচেষ্টাকে কুর্নিশ না জানিয়ে উপায় নেই। একটা কথা মানতেই হচ্ছে, শারদীয়া হিসাবে নিজের জায়গায় ‘ময়ূরপঙ্খী’ কিন্তু সকলের মনে একটা আলাদা জায়গা করে নিল। ইংরাজিতে একটা প্রবাদ প্রচলিত, মর্নিং সোজ দ্যা ডে। ‘ময়ূরপঙ্খী’-র গুণগতমান কিন্তু আত্মপ্রকাশেই শুনিয়ে দিল তার আগামী সাফল্যের পদধ্বনি।

About Rajarshi Chakraborty

স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক। পরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে স্নাতকোত্তর। ফ্রিলান্সার হিসাবে সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি। তবে লেখালিখির নেশাটা স্কুল জীবন থেকেই। স্কটিশ চার্চ স্কুলে পড়তে দেওয়াল পত্রিকা দিয়ে লেখা শুরু। কলেজ জীবন থেকেই বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন ও পত্রপত্রিকায় লেখা ছাপা হতে থা‌কে। সাংবাদিক হিসাবে প্রথম চাকরি মিঠুন চক্রবর্তীর ‘সিগনাস’-এ। এখানে টিভি নিউজ ‘আজকের খবর’ ও দৈনিক সংবাদপত্র ‘খবরের কাগজ’-এ চুটিয়ে সাংবাদিকতা। এ সময়েই সাংবাদিকতা জগতে পরিচিতি। এরপর ‘বাংলা এখন’ চ্যানেলে কাজ। পরে কলকাতার সারা জাগানো ‘কলকাতা টিভি’-তে সাংবাদিক হিসাবে যোগদান। গল্প, কবিতা থেকে প্রবন্ধ, সাম্প্রতিক বিষয়ের উপর লেখায় বরাবরই সাবলীল। বাংলাদেশের খেলার পত্রিকা, ক্যালিফোর্নিয়া থেকে প্রকাশিত বাংলা ম্যাগাজিন ‘উৎসব’ ও কলকাতা থেকে প্রকাশিত কিশোর ভারতী ও সাফল্য পত্রিকায় বিভিন্ন সময়ে তাঁর লেখা নজর কেড়েছে।

Check Also

Beleghata Sandhani Club

বেলেঘাটা সন্ধানী ক্লাব

এ বছরের পুজোর থিম মহীশূর প্যালেস। থিম শিল্পী গোপাল দাস। প্রতিমাশিল্পী প্রদীপরুদ্র পাল। সন্ধানীর পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য বিশাল আকৃতির মাতৃপ্রতিমা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *