তিনি স্ত্রীকে নিয়ে একটা লম্বা ছুটিতে বেড়াতে বেরিয়েছিলেন। সেই বেড়ানোর একটা অঙ্গ হিসাবে পৌঁছে গিয়েছিলেন একটি সরকার নিয়ন্ত্রিত পার্কে। পার্ক বললেও আদপে একটা অতি বিশাল জায়গা।
সেখানেই একটি গর্তে নেমে বেলচা দিয়ে খনন করতে শুরু করেন ওই ব্যক্তি। তার আগে অবশ্য তাঁদের পথ দেখান এক অন্য ব্যক্তি। তিনিই এই গর্তের খোঁজ দেন। জানান এখানে খনন চালিয়ে দেখতে পারেন একবার।
লক্ষ্যটা একটা হিরে পাওয়ার থাকলেও অধিকাংশ মানুষেরই এই খননকার্য পণ্ডশ্রমে পরিণত হয়। কিছুই পাওয়া যায়না। কদিচ কখনও একটা হিরে বেরিয়ে আসে। আর তা যিনি পান তিনি রাতারাতি হিরোর মর্যাদা পান।
সেটাই ঘটল ডেউই হোয়াইট-এর সঙ্গে। তিনি যখন স্ত্রীকে নিয়ে আরকানসাসের ডায়মন্ড স্টেট পার্কে পৌঁছন, তাঁদের সঙ্গে এক ব্যক্তির দেখা হয়। তিনিই তাঁদের একটি গর্তের খোঁজ দেন।
যেন তিনি আগে থেকেই জানতেন ওই গর্তে খনন চালালে হিরে মিলবে। অন্তত হোয়াইট তাই মনে করছেন। কথাটা মিলেও যায়। ওই গর্তে ২ দিন খনন চালানোর পর বেলচায় একটা কিছু লাগে। যা তোলার পর হোয়াইটের মনে হয় তিনি হিরে পেয়ে গেছেন।
পরে তা পরীক্ষা করে দেখা যায় ওটা সত্যিই হিরে। একটি মটরশুঁটির দানার মত চেহারার ওই হিরে তিনি মাটি খুঁড়ে পেয়েছেন, এটা যেন বিশ্বাসই করতে পারছেন না হোয়াইট।