Business

২০২২-এর মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, ১১৪ দিনে তৈরি হবে নতুন বাড়ি

২০২২ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে। শুক্রবার এমনই জানালেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। শুধু বিদ্যুৎ বলেই নয়, সব গ্রামীণ পরিবারেই গ্যাস পৌঁছে দেওয়া হবে ২০২২ সালের মধ্যে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। উজ্জ্বলা ও সৌভাগ্য যোজনার আওতায় এই সুবিধা পাবেন দেশের প্রতি কোণার মানুষ। এই লক্ষ্য স্থির করেছে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসা মোদী সরকার।

২০২২ সালের মধ্যে সকলের জন্য বাড়ির লক্ষ্যও স্থির করেছে কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ১.৯৫ কোটি বাড়ি করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। প্রতিটি বাড়িতে থাকবে টয়লেট, বিদ্যুৎ ও রান্নার গ্যাসের সুবিধা। দ্রুত তৈরিও হবে দ্বিতীয় দফার এই বাড়িগুলি। এতদিন বাড়িগুলি তৈরিতে সময় লেগেছে ৩১৪ দিন। কিন্তু এখন বাড়ি তৈরির প্রযুক্তি উন্নত হয়েছে। তাই আগামী দিনে এই বাড়ি তৈরি হবে ১১৪ দিনে। ফলে দ্রুত বাড়িতে বসবাস শুরু করতে পারবেন যাঁদের প্রাপ্য তেমন মানুষজন।

বাজেটে এদিন মৎস্য উৎপাদন সহ নানা বিষয়ে জোর দেন অর্থমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনার আওতায় এই মৎস্য উৎপাদন বাড়ানো হবে। যা মৎস্য চাষিদের জন্য উপকারি হতে চলেছে। এছাড়া পারম্পরিক শিল্পের উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে। যেক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেতে চলেছে বাঁশের তৈরি নানা জিনিসের উৎপাদন, মধু উৎপাদন ও খাদির জিনিসপত্র তৈরি। এজন্য ১০০টি নতুন ক্লাস্টার তৈরি করা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। ৫০ হাজার মানুষ এরফলে উপকৃত হবেন। এঁরা অধিকাংশই দরিদ্র মানুষ। এঁদের রোজগার কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা এক্ষেত্রে রয়েছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। সরকার যদি এক্ষেত্রে জোর দেয়, যদি পারম্পরিক শিল্পে জোর আরও বাড়ে তাহলে তার বিদেশেও বাজার রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। তা এর উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত মানুষের উপকারে লাগবে।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button