ধুলো ঝাড়তেই নর্দমায় গেল বিয়ের ফটো তোলা

বিয়ের মত এক সুন্দর উৎসব আর তার সঙ্গে নর্দমা। একদমই বেমানান। কিন্তু এক বিয়ের ফটোশ্যুট কার্যত নর্দমায় গেল। মনের যন্ত্রণা চেপে কনে হয়ে গেলেন নিশ্চুপ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্মিত চিত্রে বিয়ে, প্রতীকী ছবি

বিয়ের আনন্দে মুখরিত চারধার। বরকনেও তৈরি। তাঁদের বিয়ের ফটোশ্যুট হবে। বিয়েতে ছবি তোলা এক পুরনো পরম্পরা। জীবনের সেরা উৎসবটাকে চিরদিন স্মৃতির মণিকোঠায় ধরে রাখার জন্য বিয়ের ফটো তোলার জন্য বরকনেও তৈরি, ক্যামেরাম্যানও তৈরি।

ঠিক সেই সময় বরের মনে হল তাঁর প্যান্টের পিছনে কিছু একটা লেগে আছে। যাই থাক তা ঝেড়ে ফেলা দরকার। ওই যুবক হাত দিয়ে প্যান্টের পিছন দিকটা ঝেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

আর ঠিক তখনই তিনি অনুভব করেন তাঁর আঙুলে থাকা বিয়ের নতুন হিরের আংটিটা ছিটকে বেরিয়ে গেল আঙুল থেকে। একবার টং করে আওয়াজও পেলেন তাঁরা। তারপর দেখলেন সেটি সোজা চলে গেল নর্দমার মধ্যে।

এটা দেখার পর কনে প্রচণ্ড রেগেও যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি এতটাই হতভম্ব এবং মনে মনে যন্ত্রণা পেলেন যে কেমন যেন চুপ হয়ে গিয়েছিলেন। এদিকে নর্দমার মধ্যে কোথায় সেই হিরের আংটি গিয়ে পড়েছে তা তো খুঁজে পাওয়া অসম্ভব। তাই ফোন গেল দমকলে।

দমকলকর্মীরা এসে সেই নর্দমা খুলে তার মধ্যে খোঁজ শুরু করলেন। যেখানে বিয়ের ফটোশ্যুট হওয়ার কথা ছিল সেখানে দমকলকর্মীদের নেই নর্দমা ঘাঁটার একের পর এক ছবি উঠতে থাকল।

অবশ্য দমকলকর্মীদের সেই নর্দমা ঘাঁটা বিফলে যায়নি। দীর্ঘ খোঁজের পর তাঁরা অবশেষে সেই আংটির খোঁজ পেলেন। যা দেখে কার্যত আপ্লুত বরকনে।

তাঁরা ভাবতেও পারেননি সেই আংটি আর কখনও ফিরে পাবেন। তবে তাঁদের বিয়ের ফটোশ্যুট অনেকটাই ভেস্তে গেল। ঘটনাটি ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও রাজ্যের অন্যতম শহর ক্লিভল্যান্ডে।