Kolkata

একদিনে ৩ হাজারের ওপর সুস্থ ও সংক্রমিত, বাড়ল সুস্থতার হারও

সংক্রমণের দৈনিক পরিসংখ্যানে গত একদিনে রাজ্যে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা ও নতুন করে সংক্রমিতের সংখ্যা প্রায় এক। অন্যদিকে এদিনও বাড়ল সুস্থতার হার।

কলকাতা : রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই তা কিছু কিছু করে বাড়ছে। গত একদিনে ৩ হাজার ১৯৭ জনের দেহে করোনা ধরা পড়েছে। তার আগের দিনের তুলনায় ২৮ জন বেশি। গত একদিনে রাজ্যে ৩৫ হাজার ৫৯টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তারমধ্যে ৩ হাজার ১৯৭ জনের দেহে করোনার হদিশ মিলেছে। ফলে আগের দিনের সঙ্গে নতুন রোগী বৃদ্ধির সংখ্যা মোটামুটি একই রয়ে গেল। রাজ্যে এখন মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ লক্ষ ২৯ হাজার ১১৯ জন। যার মধ্যে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২৭ হাজার ৬৯৬ জন।

রাজ্যে করোনায় মৃত্যুও প্রতিদিনই বাড়ছে। গত একদিনে রাজ্যে ৫৩ জন করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন। যা আগের দিনের সঙ্গে সমান। তবে সেই ৫০-এর ঘরেই রয়ে গেল দৈনিক মৃত্যু। যার হাত ধরে এদিন রাজ্যে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৩৪ জন। গত একদিনে যে ৫৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের মধ্যে কলকাতায় প্রাণ হারিয়েছেন ১১ জন। তার আগের দিনও ১১ জনই প্রাণ হারিয়েছিলেন।

সাধারণত মৃত্যুর সংখ্যার হিসাবে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু প্রতিদিনই পাওয়া যায় কলকাতায়। তার পিছনে থাকে উত্তর ২৪ পরগনা। গত ২ দিনে কিন্তু কলকাতাকে মৃত্যুর অঙ্কে ছাপিয়ে গেছে উত্তর ২৪ পরগনা। উত্তর ২৪ পরগনায় গত একদিনে মারা গেছেন ১৪ জন। তার আগের দিন সংখ্যাটা ছিল ১৬। এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৮ জন, পূর্ব মেদিনীপুরে ৫ জন, পশ্চিম বর্ধমানে ৩ জন এবং হাওড়ায় ৩ জন মারা গেছেন। হুগলি ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ২ জন করে মানুষ করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন। ১ জন করে মারা গেছেন দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমানে।

রাজ্যে একই সঙ্গে বহু রোগী সুস্থ হয়ে ফিরছেন। গত একদিনে ৩ হাজার পার করেছে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা। ৩ হাজার ১২৬ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। রাজ্যে এখন করোনামুক্ত মানুষের মোট সংখ্যা ৯৮ হাজার পার করে গেছে। মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৮ হাজার ৭৮৯ জন। যার হাত ধরে রাজ্যে সুস্থতার হার আরও বেড়েছে। রাজ্যে এখন সুস্থতার হার দাঁড়িয়েছে ৭৬.৫১ শতাংশ। — রাজ্যসরকারের স্বাস্থ্য দফতরের দৈনিক বুলেটিন-এর সাহায্য নিয়ে লেখা


Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button