জলের তলায় লুকিয়ে ছিল একটা আস্ত রেলস্টেশন। যেখান দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রেল চলাচল করত। সেই স্টেশন হারিয়ে গিয়েছিল অচিরেই। তারপর কেটে যায় বেশ কয়েক দশক। কেউ তার খোঁজও রাখেনি। সে রেলপথে আর রেলও চলেনি। তাও বহু বছর হয়ে গেছে। সে স্টেশন যে একটা জলাধারের নিচে হারিয়ে গেছে তার খোঁজও কেউ রাখেনি।
সম্প্রতি থাইল্যান্ডের বিদ্যুৎ দফতর বিদ্যুতের তারের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ওই জলাধারের জল তোলানোর ব্যবস্থা করে। ভাজিরালংগর্ন জলাধারের জল ছেঁচে তুলে ফেলে।
জলাধারের জল সরে যেতেই তার তলায় যা ছিল তা স্পষ্ট দেখা যায়। তখনই চমকে যান অনেকে। দেখেন একটা আস্ত রেলস্টেশন এতদিন ধরে লুকিয়ে ছিল ওই জলের তলায়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই রেললাইনটি তৈরি করা হয়েছিল। জাপানি সেনার প্রয়োজনেই তা তৈরি করা হয়েছিল। যা তৈরি করতে গিয়ে বহু মানুষ তাঁদের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন।
সেই রেললাইন তৈরি হয়। তার একটি স্টেশন ছিল নিথে। সেই নিথে স্টেশনটিই এই জলাধারের তলায় হারিয়ে গিয়েছিল। সময়ের সাথে তার কথাও মানুষ ভুলে যান। কিন্তু জলাধারের জল সরতেই স্টেশনটি নজরে আসে।
সে খবর পাওয়ার পর গবেষকেরা আর অপেক্ষা করেননি। পশ্চিম থাইল্যান্ডের এই জলের তলার রেলস্টেশনটি খতিয়ে দেখতে সেখানে উপস্থিত হতে শুরু করেন।
জলের তলায় ছিল স্টেশনটি। ফলে সহজে তার দেখা মেলা ভার। এখন যখন তা দেখা যাচ্ছে তাই তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব বুঝতে ও সেখান থেকে ঐতিহাসিক নিদর্শন উদ্ধার করতে ঐতিহাসিকরা স্টেশনে ভিড় জমান। খবরটি জাপান টুডে সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।