National

দেশে প্রথম, আকাশপথের সাহায্যে জন্ম নেবে ৫০ লক্ষ গাছ

এমনটাও হতে পারে তা হয়তো প্রযুক্তিই বিশ্বাস করাতে পারে। সেটাই এবার বাস্তবে হচ্ছে। দেশে এই প্রথম আকাশপথে হচ্ছে চারধার সবুজে ভরে ফেলার ব্যবস্থা।

এই প্রথম দেশে প্রযুক্তিকে এভাবে কাজে লাগিয়ে সবুজায়নের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। ৫০ লক্ষ গাছ নতুন করে জন্ম নেবে এই আকাশপথের হাত ধরেই।


বনাঞ্চলকে আরও ছড়িয়ে দিতেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ৫০ লক্ষ গাছ পরিবেশকে আরও বেশি বাসযোগ্য করে তুলবে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য আরও বেশি করে রক্ষা করবে।

তেলেঙ্গানার ৩৩টি জেলায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এইসব জেলায় যে বনাঞ্চল রয়েছে সেখানে ড্রোনের সাহায্য নিয়ে অরণ্যের ফাঁকা জায়গায় গাছের বীজ ছড়িয়ে দেওয়া হবে।



এজন্য আকাশ থেকে ছোঁড়া হবে সিডবল বা বীজ থাকা বল। এগুলি সাধারণত ছোট ছোট মাটির বল হয়। যার মধ্যে দেওয়া থাকে বীজ।

আকাশ থেকে ফেলার পর তা থেকে এক সময় অঙ্কুর বার হয়ে তারপর চারা তৈরি হয়। ক্রমে বেড়ে ওঠে গাছ। তাও আবার আলাদা করে পরিচর্যা ছাড়াই। নিছক প্রাকৃতিক নিয়মে।

এজন্য তেলেঙ্গানার তথ্যপ্রযুক্তি দফতর, ইলেকট্রনিক ও যোগাযোগ দফতর এবং বন দফতর হাত মিলিয়েছে। যৌথ উদ্যোগে হায়দরাবাদের একটি ড্রোন স্টার্টআপ সংস্থা মারুত ড্রোনের সঙ্গে তারা কথা বলেছে। তারা সিডকপ্টার ড্রোন দিচ্ছে এই কাজে।

১২ হাজার হেক্টর জমিতে এই বীজ ছড়িয়ে দেওয়া হবে ড্রোনের সাহায্যে। এই প্রকল্পের নাম রাখা হয়েছে ‘হরা ভরা’।

তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও আগেই সবুজ তেলেঙ্গানার কথা বলেছিলেন। ‘হরিত হরম’ নাম দিয়ে রাজ্যকে সবুজে ভরিয়ে তোলার কথা বলেছিলেন তিনি। সেই লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ একটা বড় লাফ বলেই মনে করা হচ্ছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button