National

বেড়েই চলেছে করোনা, ৪০ হাজারের দরজায় একদিনে সংক্রমণ

দেশে এখন কার্যত প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। এদিন ১ কোটি ১৪ লক্ষের ঘর ছেড়ে এবার সংক্রমণ পা রাখল ১ কোটি ১৫ লক্ষের ঘরে।

নয়াদিল্লি : মার্চে পড়ার পর থেকেই দেশে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। প্রতিদিনই একটু একটু করে বাড়ছিল সংক্রমিতের সংখ্যা। এদিন দৈনিক সংক্রমণ ৪০ হাজারের দরজায় পৌঁছে গেছে। সংক্রমিত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৭২৬ জন।

মহারাষ্ট্র, পঞ্জাব, ছত্তিসগড়, গুজরাট, কেরালা তো বটেই এখন কর্ণাটক, তামিলনাড়ুর সহ অন্য রাজ্যেও বাড়ছে সংক্রমণ। সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে থাকায় দেশে ক্রমশ অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

ফেব্রুয়ারিতেও যেখানে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমতে কমতে ১ লক্ষের নিচে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেখানে এখন তা বাড়তে বাড়তে ২ লক্ষ ৭১ হাজার পার করে আরও বেড়ে চলেছে। এদিন দেশে ১০ লক্ষ ৫৭ হাজার ৩৮৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির হাত ধরে দেশে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা ১ কোটি ১৫ লক্ষের ঘরে এদিন ঢুকে পড়েছে। এদিন ১ কোটি ১৫ লক্ষ ১৪ হাজার ৩৩১ জনে দাঁড়িয়েছে দেশের মোট সংক্রমণ। সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা এদিনও সংক্রমিতের চেয়ে অনেক কম হয়েছে। ফলে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।


এদিন দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লক্ষ ৭১ হাজার ২৮২ জনে। একদিনে বেড়েছে ১৮ হাজার ৯১৮ জন।

এদিকে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়ায় অ্যাকটিভ রোগীর শতাংশের হারও ফের বেড়েছে। বেড়ে ২.৩৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর হার।

মার্চে বেশির ভাগ দিনই ১০০-র ওপরই থেকেছে দৈনিক মৃত্যু। গত একদিনে দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৫৪ জনের। এদিনের মৃতের সংখ্যার হাত ধরে দেশে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৩৭০টি। মৃত্যুর হার ১.৩৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

গত একদিনে দেশে রাজ্য ভিত্তিক যে মৃতের সংখ্যার খতিয়ান সামনে এসেছে তাতে একদিনে করোনায় মৃত্যুর নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ কিছুটা পিছিয়ে গেছে। রাজ্যে গত দিন ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত একদিনে মহারাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছে ৫৮ জনের। পঞ্জাবে ৩২ জনের। কেরালায় মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের।

করোনা সংক্রমণ ফের বাড়তে শুরু করলেও সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা কিন্তু সংক্রমণের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২০ হাজার ৬৫৪ জন।

এর হাত ধরে দেশে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের মোট সংখ্যা এদিন ১ কোটি ১১ লক্ষের দরজায় পৌঁছে গেছে। দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৬৭৯ জন। সুস্থতার হার দাঁড়িয়েছে ৯৬.২৬ শতাংশে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article
Back to top button