National

দেশে এক লাফে বাড়ল একদিনে সংক্রমণ

দেশে সংক্রমণ ও মৃত্যু নিম্নগামী ধারা বজায় রেখেছে প্রায় গত ২ মাস ধরেই। সেই প্রবণতা এদিন ধাক্কা খেল। লাফিয়ে বাড়ল একদিনে সংক্রমণ।

নয়াদিল্লি : নতুন বছরের শুরু থেকে প্রধানত ২০ হাজারের নিচেই রয়েছে দেশে দৈনিক সংক্রমণ। এরমধ্যেই নামা ওঠা চলছে। এমনকি ১০ হাজারি ঘরেও এরমধ্যে পৌঁছেছিল সংক্রমণ। তবে সেই ঘর ধরে রাখতে পারেনি তা।

বেশ কিছুদিন ধরেই মূলত ১৫ হাজারের নিচেই ঘুরপাক খাচ্ছে সংক্রমণ। গত একদিনে কিন্তু সেই ধারাবাহিকতা ধাক্কা খেল।

আগের দিনের তুলনায় এক লাফে বাড়ল সংক্রমণ। দেশে সংক্রমিত হলেন ১৮ হাজার ৮৫৫ জন। দেশে ৭ লক্ষ ৪২ হাজার ৩০৬টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। আগের দিনের চেয়ে সামান্য বেড়েছে নমুনা পরীক্ষা।

রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির হাত ধরে দেশে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা ১ কোটি ৭ লক্ষ পার করেছে। ১ কোটি ৭ লক্ষ ২০ হাজার ৪৮ জনে দাঁড়িয়েছে দেশে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা।


এদিন সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা সংক্রমিতের চেয়ে বেশি হয়েছে। ফলে দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৭১ হাজার ৬৮৬ জনে। একদিনে কমেছে ২ হাজার ৫৪ জন। করোনা অ্যাকটিভ রোগীর হার কমে দাঁড়িয়েছে ১.৬০ শতাংশে।

নতুন বছরে ২০০-র ঘরেই ছিল দেশে দৈনিক করোনায় মৃত্যু। এখন তা আরও কমেছে। দৈনিক করোনায় মৃতের সংখ্যা এখন ২০০-র নিচেই থাকছে। এদিন মৃত্যু হয়েছে ১৬৩ জনের।

এদিনের মৃতের সংখ্যার হাত ধরে দেশে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ১০ জন। ১.৪৪ শতাংশ মৃত্যুর হার রয়েছে দেশে।

এদিকে গত একদিনে দেশে রাজ্য ভিত্তিক যে মৃতের সংখ্যার খতিয়ান সামনে এসেছে তাতে করোনায় মৃত্যুর নিরিখে পঞ্জাবের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ চতুর্থ স্থানে রয়েছে।

গত একদিনে মহারাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। ছত্তিসগড়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের। কেরালায় মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের।

কেরালার পর এবার ছত্তিসগড়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু। দৈনিক সংক্রমণে মহারাষ্ট্রকেও অনেক পিছনে ফেলে দিয়েছে ছত্তিসগড় ও কেরালা।

করোনা রোগী ও মৃত্যু যেমন বেড়ে চলেছে তেমনই অন্যদিকে তাল মিলিয়ে বাড়ছে সুস্থ হয়ে ওঠার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২০ হাজার ৭৪৬ জন।

যার হাত ধরে দেশে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩ লক্ষ ৯৪ হাজার ৩৫২ জন। দেশে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৬.৯৬ শতাংশে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article
Back to top button