National

দেশে একদিনে সংক্রমণ ও মৃত্যু কমল

দেশে একদিনে সংক্রমণ, মৃত্যু এবং সেইসঙ্গে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা কমল। চিন্তায় রাখছে কেরালার পরিস্থিতি। দেশে একদিনে মোট সংক্রমণের প্রায় অর্ধেকই কেরালায়।

নয়াদিল্লি : নতুন বছরের শুরু থেকে প্রধানত ২০ হাজারের নিচেই রয়েছে দেশে দৈনিক সংক্রমণ। এরমধ্যেই নামা ওঠা চলছে। এমনকি ১০ হাজারি ঘরেও এরমধ্যে পৌঁছেছে সংক্রমণ। তবে সেই ঘর ধরে রাখতে পারেনি তা। মূলত ২০ হাজারের নিচেই ঘুরপাক খাচ্ছে সংক্রমণ।

গত একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ১৩ হাজার ২০৩ জন। দেশে ৫ লক্ষ ৭০ হাজার ২৪৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২ লক্ষ কমেছে নমুনা পরীক্ষা।

রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির হাত ধরে এদিন ১ কোটি ৬ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭৩৬ জনে দাঁড়িয়েছে দেশে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা। এদিন সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা সংক্রমিতের চেয়ে বেশি হয়েছে।

এদিন দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ১৮২ জনে। একদিনে কমেছে ২২৬ জন। করোনা অ্যাকটিভ রোগীর হার গত দিনের সঙ্গে একই রয়ে গেছে। রয়েছে ১.৭৩ শতাংশে।


নতুন বছরে ২০০-র ঘরেই ছিল দেশে দৈনিক করোনায় মৃত্যু। এখন তা আরও কমেছে। দৈনিক করোনায় মৃতের সংখ্যা এখন ২০০-র নিচেই থাকছে।

গত একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৩১ জনের। এদিনের মৃতের সংখ্যার হাত ধরে দেশে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ৪৭০ জন। ১.৪৪ শতাংশ মৃত্যুর হার রয়েছে দেশে।

এদিকে গত একদিনে দেশে রাজ্য ভিত্তিক যে মৃতের সংখ্যার খতিয়ান সামনে এসেছে তাতে করোনায় মৃত্যুর নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ দেশে কয়েকটি রাজ্যের সঙ্গে চতুর্থ স্থানে রয়েছে।

গত একদিনে মহারাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের। কেরালায় মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। দিল্লিতে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের।

কেরালায় দৈনিক সংক্রমণ এখন দেশের মধ্যে সর্বাধিক। মহারাষ্ট্রকে সংক্রমণের নিরিখে অনেক পিছনে ফেলে দিয়েছে দাক্ষিণাত্যের এই রাজ্য।

করোনা রোগী ও মৃত্যু যেমন বেড়ে চলেছে তেমনই অন্যদিকে তাল মিলিয়ে বাড়ছে সুস্থ হয়ে ওঠার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৩ হাজার ২৯৮ জন।

যার হাত ধরে দেশে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ৮৪ জন। দেশে সুস্থতার হার গতদিনের সঙ্গে একই জায়গায় রয়েছে গেছে। দাঁড়িয়ে আছে ৯৬.৮৩ শতাংশে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article
Back to top button