National

ভারতে দৈনিক সংক্রমণ ৩ মাসে সবচেয়ে নিচে

দেশে গত একদিনে নতুন ধরা পড়া করোনা রোগীর সংখ্যা চমকপ্রদভাবে কমল। এবার ৩০ হাজারি ঘরে নেমে এল সংক্রমণ। মৃত্যুও রয়েছে ৫০০-র নিচে।

নয়াদিল্লি : ভারত সংক্রমণের সর্বোচ্চ শিখর পার করে এসেছে। এমনই জানিয়েছে ‘ন্যাশনাল সুপারমডেল কমিটি ফর কোভিড-১৯’।

সেপ্টেম্বরে যে করোনার সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত দেশ দেখেছে অক্টোবরে সেই দৈনিক বৃদ্ধি নজরে পড়েনি। বরং প্রথম দিকে ৭০ হাজারি ঘরে এবং পরে তা নেমে ৬০ হাজারি ঘরেই থাকছিল।


পড়ুন আকর্ষণীয় খবর, ডাউনলোড নীলকণ্ঠ.in অ্যাপ

মাঝে একদিন ৪০ হাজারি ঘরেও নামে সংখ্যাটা। তারপর টানা ৫০ হাজারি ঘরে ঘুরেছে দৈনিক সংক্রমণ। আগের দিন তা ফের ৪০ হাজারি ঘরে নামে। আর এদিন তা আরও নেমে ৩০ হাজারি ঘরে ঢুকে পড়েছে।

গত ৩ মাসে একদিনে এত কম সংক্রমণ দেশ দেখেনি। দেশে সংক্রমণ কিন্তু এখন নিম্নমুখী। যা অবশ্যই আশার আলো দেখাচ্ছে।

অন্যদিকে এদিনও সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা নতুন সংক্রমিতের চেয়ে অনেক বেশি রয়েছে। গত একদিনে দেশে নতুন করে সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ৪৭০ জন।

গত একদিনে দেশে ৯ লক্ষ ৫৮ হাজার ১১৬টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। গত দিনের তুলনায় নমুনা পরীক্ষা সামান্য বেশি হয়েছে।

গত একদিনের রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির হাত ধরে ৭৯ লক্ষ ৪৬ হাজার ৪২৯ জনে দাঁড়িয়েছে দেশে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা।

গত একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যার চেয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ায় দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা আরও কমে দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৫৭ জনে। একদিনে কমেছে ২৭ হাজার ৮৬০ জন। একদিনে অ্যাকটিভ রোগী কমেছে রেকর্ড সংখ্যক।

অক্টোবরে দেশে দৈনিক মৃতের সংখ্যা ৩ অঙ্কের ঘরেই অধিকাংশ সময় থেকেছে। গত একদিনে দেশে মৃত্যু যেখানে নেমেছে সেখানে গত ৩ মাসে নামেনি দৈনিক মৃত্যু।

গত একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৪৮৮ জনের। এদিনের মৃতের সংখ্যার হাত ধরে দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৫০২ জন। ১.৫০ শতাংশ মৃত্যুর হার রয়েছে দেশে।

করোনা রোগী ও মৃত্যু যেমন বেড়ে চলেছে তেমনই অন্যদিকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সুস্থ হয়ে ওঠার হার। গত একদিনে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা সংক্রমিতের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৩ হাজার ৮৪০ জন। গত দিনের চেয়ে অনেকটাই বেড়েছে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা।

দেশে মোট করোনামুক্ত মানুষের সংখ্যা এদিন দাঁড়িয়েছে ৭২ লক্ষ ১ হাজার ৭০ জন। দেশে সুস্থতার হার ৯০ শতাংশের ঘরে রয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *