তিনি এলেন গোলাপি ক্যাডিলাক গাড়িতে চড়ে। সঙ্গে পাত্রকেও হাতে ধরে নিয়ে এলেন। পাত্রীর পরনে গোলাপি পোশাক। গাড়ি থেকে নেমে খুশি আর ধরে রাখতে পারলেননা তিনি। একের পর এক ছবি উঠল। এক দুর্দান্ত আগমন হল বিয়ের আসরে।
বিয়েতে উপস্থিত সকলের পোশাকেই গোলাপি ছোঁয়া। এদিকে গোলাপি বিয়ের গাউনে পাত্রীর মাথার চুলও গোলাপি। পায়ের হিল জুতোটাও গোলাপি।
সকলকে কিছুটা হলেও অবাক করে পাত্রীর হাতে ধরা গোলাপি শেড কার্ড। হাতে এত বড় একটা শেড কার্ড নিয়ে বিয়ে করতে এলেন কেন?
আসলে ওই শেড কার্ড না হলে তো বিয়েই হবে না! কারণ ওই শেড কার্ডই হল পাত্র! অবাক হওয়ার মত সন্দেহ নেই। কিন্তু পাত্রী কিটেন কে সেরা বিয়ে করলেন ওই গোলাপি রংকেই।
গোলাপি রং তাঁর বড্ড প্রিয়। ছোট থেকেই তাঁর গোলাপির প্রতি অদম্য আকর্ষণ। অবশেষে কোনও পুরুষ নন, এই গোলাপি রংকেই জীবনসঙ্গী করলেন সেরা।
বিশ্বের ইতিহাসে এই প্রথম কেউ তাঁর পছন্দের রংকে বিয়ে করলেন। কোনও রংয়ের সঙ্গে কোনও মহিলার বিয়েও প্রথম। কিন্তু লাস ভেগাসে এই বিয়েটা সত্যি।
সেরার সঙ্গে বিয়ে হল গোলাপি রংয়ের। যে বিয়েতে ধুমধামের অভাব হল না। গত ১ জানুয়ারি বিয়েটা হয়। গোলাপি একটি কেকও কাটেন সেরা। তারপর বিয়ের ফুল ছুঁড়ে দেন সকলের মাঝে। প্রথাগতভাবে সেই ফুল লুফে নেন একজন।
বিয়ে উপলক্ষে আগত অতিথিদের সঙ্গে চুটিয়ে চলে ছবি তোলা, খাওয়া দাওয়া। পুরো সময়ে কিন্তু জীবনসঙ্গী হিসাবে বেছে নেওয়া গোলাপিকে হাতছাড়া করেননি সেরা।