বিষয়টি আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার সামনে আসে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে। সেখানে হায়দরাবাদের বিখ্যাত গোলকোন্ডা দুর্গের পিছনে একটি সুড়ঙ্গ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়।
পোস্ট দেখার পর তার সত্যতা যাচাই করতে সেখানে আধিকারিকদের একটি দল পাঠায় এএসআই। দুর্গের দেওয়ালের ১০০ মিটার দূরে আর্টিলারি সেন্টারে খননের কাজ চলছিল।
সেখানে একটি কুঠুরির দেখা পান প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এ কুঠুরি যে এখানে ছিল তা আগে জানা ছিলনা। ফলে তাঁদের কাছে পরিস্কার হয়ে যায় যাকে সুড়ঙ্গ বলা হচ্ছিল সেটা মোটেও সুড়ঙ্গ নয়, সেটা একটা গোপন কুঠুরি।
১.২ মিটার বাই ১.৮ মিটারের এই আয়তক্ষেত্রাকার কুঠুরির গভীরতা ২.২ মিটার। তৈরি হয়েছে গ্রানাইট পাথর দিয়ে। ভিতরের দেওয়ালে রয়েছে অমসৃণ পাথরের গাঁথনি।
কুঠুরির মধ্যে লাল রংয়ের কিছু পাত্রের ভাঙা অংশও পাওয়া গেছে। যা দেখার পর প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারনা এটা মধ্যযুগে কোনও এক সময়ে রাখা হয়েছিল। ঠিক কি কারণে এই কুঠুরি তৈরি করা হয়েছি, দুর্গের পিছনে এভাবে একটি কুঠুরি কেন রয়েছে, তা এখনও প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে পরিস্কার নয়।
এজন্য আরও পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। এটা কি কাজে লাগত তা পরিস্কার হলে এটাও বোঝা যাবে যে এমন কুঠুরি সেখানে মাটির তলায় আরও পাওয়া যেতে পারে কিনা। এমনই মনে করছেন এএসআই-এর আধিকারিকরা।
একটা সময় গোলকোন্ডা দুর্গ সাধারণ মানুষের বাসস্থান হিসাবেও ব্যবহার হত। সেই সময় কোনও কারণে এই গোপন কুঠুরি তৈরি কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা