Kolkata

রাজ্যে ৯৬ শতাংশের দরজায় সুস্থতার হার

রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ আপাতত ১ হাজার থেকে ১ হাজার আড়াইশোর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। অন্যদিকে সুস্থতার হার পৌঁছে গেছে ৯৬ শতাংশের দরজায়।

কলকাতা : রাজ্যে ডিসেম্বরের শুরুতে ৩ হাজারের ঘরেই ছিল সংক্রমণ। পরে তা নেমে আসে ২ হাজারি ঘরে। গত ১ সপ্তাহে তা মূলত দেড় হাজারের আশপাশে পাওয়া গেলেও এবার তা নেমে এল এক হাজার থেকে ১ হাজার আড়াইশোর মধ্যে। যা বিগত কয়েক মাসে দেখতে পাওয়া যায়নি।

গত দিনের তুলনায় কিন্তু নমুনা পরীক্ষা এদিন এক ধাক্কায় প্রায় ৯ হাজার বেড়েছে। নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৭ হাজার ২৪৫টি। রাজ্যে এদিন মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৪৯ হাজার ৭১৫ জনে। যার মধ্যে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৭৮৮ জনে।

ডিসেম্বরের শুরুতে করোনায় মৃত্যু রাজ্যে ৫০-এর ঘরে ছিল। তারপর তা ৪০-এর ঘরেই ওঠানামা করছিল। তারপর ৩০-এর ঘরে নেমেছিল মৃত্যু। অবশেষে দীর্ঘদিন পর করোনায় রাজ্যে দৈনিক মৃত্যু ৩০-রও নিচে নামে আগের ২ দিনে।

এদিন অবশ্য ফের মৃতের সংখ্যা ৩০-এ পৌঁছেছে। গত একদিনে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজ্যে। আগের দিনের চেয়ে ৩ জন বেশি মানুষের প্রাণ গেছে করোনায়। এদিনের মৃতের সংখ্যার হাত ধরে রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৬৫৫ জন।

গত একদিনে যে ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের মধ্যে কলকাতায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪ জন। আগের দিনও ৪ জনেরই মৃত্যু হয়েছিল কলকাতায়।

দীর্ঘকাল পর কলকাতায় একদিনে করোনায় মৃত্যু ৪ জনে নামল। উত্তর ২৪ পরগনায় মারা গেছেন ৯ জন। কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা বাদ দিলে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৪ জন, হাওড়ায় ৪ জন, নদিয়ায় ৪ জন এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ২ জন করে মানুষের প্রাণ কেড়েছে করোনা। এছাড়া মুর্শিদাবাদ, বাঁকুড়া এবং হুগলিতে ১ জন করে মানুষের প্রাণ গেছে করোনায়।

রাজ্যে একই সঙ্গে বহু রোগী সুস্থ হয়ে ফিরছেন। গত একদিনে অবশ্য সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা গত দিনের চেয়ে সামান্য কমেছে। ১ হাজার ৫৮৭ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন।

এদিন রাজ্যে করোনামুক্ত মানুষের মোট সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ২৭ হাজার ২৭২ জন। এদিন এত মানুষ সুস্থ হয়ে ওঠায় রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫.৯২ শতাংশ। ৯৬ শতাংশের দরজায় কড়া নাড়ছে সুস্থতার হার। — রাজ্যসরকারের স্বাস্থ্য দফতরের দৈনিক বুলেটিন-এর সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button