১৯৯৪ সাল। সেবার প্রথম এভারেস্টের চুড়োয় উঠেছিলেন তিনি। প্রথমবার উঠেই হয়তো এভারেস্টের প্রেমে পড়েছিলেন তিনি। তারপর এমন একটাও বছর বাদ যায়নি যে বছর তিনি এভারেস্টের চুড়োয় পৌঁছননি। এভারেস্ট যেন বছর ঘুরলেই তাঁকে টানে।
এখন তো বেড়ানোর মত করে এভারেস্টে ওঠানামা করেন তিনি। এভারেস্টে একবার চড়তে পারলেও যে কেউ সেলেব্রিটির সম্মান পান। সেটা খুব ভুলও নয়। কারণ এভারেস্টে চড়াটা কেবল দুঃসাহস নয়। তা একটা কঠিন অধ্যবসায়।
যে কোনও পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকার এক অদম্য প্রচেষ্টা। সেটাই করে দেখালেন কামি রিটা শেরপা। ৫৫ বছরের এই প্রৌঢ় এবার তাঁর ৩১ তম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় সম্পূর্ণ করলেন।
মাঝে ৩ বছর এভারেস্টে ওঠা বন্ধ ছিল। সেই ৩ বছর তিনি এভারেস্টে উঠতে পারেননি। এছাড়া এমন কোনও বছর ১৯৯৪ সাল থেকে যায়নি যে বছর তিনি এভারেস্টে ওঠেননি। এবার ভারতীয় সেনার একটি দলকে পথ দেখিয়ে এভারেস্টের চুড়ো ছুঁলেন কামি রিটা শেরপা।
এভারেস্টের চুড়ো ছুঁয়ে রেকর্ড গড়া নেপালি কামি রিটা শেরপার পিছনেই তাড়া করছেন আর এক নেপালি পাসাং দাওয়া শেরপা। তিনি ২৯ বার এভারেস্টের চুড়োয় উঠেছেন। কামি রিটার চেয়ে ২ বার কম।
এভারেস্টের চুড়োয় উঠতে নেপালি শেরপাদের সাহায্য অধিকাংশ এভারেস্ট অভিযানকারীকেই নিতে হয়। সেই কাজেই হাতেখড়ি কামি রিটার। তারপর ৩১ বার এভারেস্টে উঠেও তাঁর সেই কাজ তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন।