ইজরায়েলের শহরের আকাশে পাক খাচ্ছে হাজার হাজার কাক, এ কোন অশনিসংকেত
পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিতে ইজরায়েলের অন্যতম শহর তেল আভিভের আকাশ কালো হয়ে গেছে। মেঘে নয়। হাজার হাজার কাক মুখ ঢেকেছে আকাশের।
প্রাচীনকালে আকাশে পাখির আনাগোনা, তাদের ডাক দেখে কি হতে পারে তা বোঝার চেষ্টা করতেন বিশেষজ্ঞেরা। আকাশে অনেক কাক উড়তে থাকলে যুদ্ধও থেমে যেত। প্রচুর কাক আকাশে পাক খাওয়াকে প্রাচীনকালে অত্যন্ত খারাপ ইঙ্গিত বলেই ধরা হত।
এর মানে করা হত বিপদ আসন্ন। সেই প্রাচীন ভাবনা নতুন করে চাড়া দিল ইজরায়েলের তেল আভিভ শহরের বাসিন্দাদের মনে। এমনিতেই পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিতে তেল আভিভ বারবার নিশানা হচ্ছে।
ইজরায়েলের এই দ্বিতীয় বৃহত্তম ও সবচেয়ে জনবহুল শহরটি এবার নতুন চিন্তায় পড়েছে। তেল আভিভের আকাশ ঢাকছে কালো অন্ধকারে। সে কালো মেঘের কালো নয়। আকাশ ঢেকে ফেলছে হাজার হাজার কাক। যা আকাশের মুখ ঢেকে দিচ্ছে।
কাকেরা পাক খাচ্ছে এ শহরের মাথার ওপর। যা দেখে তেল আভিভের বাসিন্দারা আতঙ্কিত। তবে কি শেষ হতে চলেছে সবকিছু! প্রাচীন প্রবাদ মেনে এমন ভাবেও ব্যাখ্যা হচ্ছে আকাশে অগুন্তি কাকের ভিড়।
বিজ্ঞানীরা অবশ্য আসন্ন বিপদ, অশনিসংকেতের মত প্রাচীন বিশ্বাস মানতে নারাজ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ইজরায়েল হল এমন এক দেশ যার ওপর দিয়ে প্রতিবছর সবচেয়ে বেশি পরিযায়ী পাখি উড়ে যায়। আর কাকেরা যখন বাসা বাঁধে, ডিম পাড়ে তখন এভাবে একত্র হয়ে থাকতে পছন্দ করে।
এতে তাদের কোনও শিকারির ভয় থাকেনা। দলবদ্ধ হয়ে থাকলে তাদের আক্রমণ করার সাহস দেখায় না বড় পাখিরা। আর কাকেদের এই বাসা বাঁধা, ডিম পাড়ার সময়ই হল মার্চ, এপ্রিল মাস।
তাই এই সময় তেল আভিভের আকাশে যে সহস্র কাকের পাক খাওয়া দেখা যাচ্ছে তা কোনও বিপদের ইঙ্গিত নয়, একটি স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু বিজ্ঞানীদের সেই ব্যাখ্যা তেল আভিভের সকল বাসিন্দাকে বিষয়টি সম্বন্ধে অবহিত করে তুলতে পারেনি।













