ভূমিকম্পে থরথর করে কেঁপে উঠল কলকাতা, রাস্তায় নেমে এলেন শহরবাসী

এমন কম্পন বড় একটা দেখা যায়না। তেমনই এক কম্পনে কেঁপে উঠল কলকাতা। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ জুড়েই কম্পন অনুভূত হয়েছে। উৎসস্থল কলকাতা থেকে খুব দূরে নয়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্মিত চিত্রে ভূমিকম্প, প্রতীকী ছবি

ভরদুপুরে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা। কম্পনের উৎসস্থল বাংলাদেশের খুলনা। মাটির ২৫ কিলোমিটার নিচে ছিল কম্পনের কেন্দ্রস্থল। যা সীমান্তবর্তী টাকি থেকে সামান্যই দূরে। ফলে ভূমিকম্পের উৎসস্থল কলকাতা থেকে খুব দূরে নয়।

রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫। থরথর করে কেঁপে ওঠে বাড়িঘর, অফিস। অনেকের মাথা ঘুরতে থাকে। ভূমিকম্প হচ্ছে বোঝার পরে অনেকেই বাড়ি থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।

অফিসগুলি ফাঁকা হয়ে যায়। সেখানে কর্মীরা প্রায় ছুটেই রাস্তায় নেমে আসেন। আতঙ্কের পারদ চড়তে থাকে। অনেক স্কুলই ফাঁকা করে ছাত্রছাত্রীদের বাইরে বার করে আনেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ভূমিকম্প প্রথমে অনুভূত হয় বাংলাদেশে। তারপরই কেঁপে ওঠে লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গ। কম্পন অনুভূত হয় দুপুর ১টা ২২ মিনিটে। বিশেষত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে কম্পন অনুভূত হয়।

কম্পনের মাত্রার জন্য কারও বুঝতে অসুবিধা হয়নি ভূমিকম্প হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে কলকাতায় ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির কথা কিছু জানা যায়নি। তবে আতঙ্ক ছড়াতে সময় নেয়নি। কয়েক সেকেন্ড মাত্র এই কম্পন স্থায়ী হয়। অনেকেই বাড়ির জিনিসপত্র, পাখা, টেবিল, চেয়ার নড়তে দেখে ভয় পেয়ে যান।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় কম্পন অনুভূত হয়। সেখানে ১২ সেকেন্ডের মত স্থায়ী হয় কম্পন। বহু মানুষ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ভয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ফাঁকা জায়গায় চলে আসেন। কম্পনের পর ২ বাংলাতেই আতঙ্ক কমেনি। কারণ এমন কম্পনের পর আফটার শকের একটা সম্ভাবনা থেকেই যায়।