১৯৮৫ সালে সেটি উদ্ধার হয়েছিল। উদ্ধার হয়েছিল বরফের রাজ্য থেকে। কুমেরু থেকে পাওয়া গিয়েছিল একটি খণ্ড। সেটি যে একটি জীবাশ্ম সে বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন গবেষকেরা। কিন্তু কিসের জীবাশ্ম? তা পরিস্কার ছিলনা।
এরপর সেই জীবাশ্ম খণ্ডটির জায়গা হয় কেমব্রিজের ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভে-র একটি ড্রয়ারে। সেখানেই সেটি পড়ে থাকে অবহেলায়। এরপর দশকের পর দশক কাটতে থাকে। জীবাশ্মটি সেই ড্রয়ারেই পড়ে থাকে বিনা পরীক্ষায়।
এতদিন পর সেটি ড্রয়ার থেকে উদ্ধার করে পরীক্ষা শুরু করেন এক জীবাশ্মবিদ। তিনি সেটি পরীক্ষা করে জানতে পারেন এক আশ্চর্য তথ্য। কুমেরুর বরফের রাজ্য থেকে পাওয়া যাওয়া ওই জীবাশ্মটি একটি ডাইনোসরের।
জীবাশ্মটি তৃণভোজী ডাইনোসরের বলেও জানতে পারেন তিনি। লম্বা গলার তৃণভোজী ডাইনোসর টাইটানোসর-এর এই হাড়ের জীবাশ্মটি সেই সময়ের কথা জানান দিল যে সময় কুমেরু এমন বরফের রাজ্য ছিলনা।
অ্যান্টার্কটিকায় বরফ নয়, ছিল সবুজে ভরা অরণ্য। যেখানে এই ডাইনোসর ঘুরে বেড়াত। যে ডাইনোসরের জীবাশ্মটি পাওয়া গিয়েছে সেটি যে পূর্ণবয়স্ক ডাইনোসর ছিলনা তাও জানতে পেরেছেন ওই জীবাশ্মবিদ।
বিজ্ঞান সম্বন্ধীয় জার্নালে এই জীবাশ্ম সম্বন্ধীয় তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। একটি ড্রয়ারে অবহেলায় পড়ে থাকা একটি জীবাশ্ম খণ্ড একটি সময়ের দলিল হয়ে সামনে এল।
প্রাগৈতিহাসিক সময়ের এমন অনেক তথ্য ও সেই সময় কুমেরু অঞ্চল সম্বন্ধে এমন অনেক কিছু এই খণ্ডটি জানান দিতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।