সমুদ্রে একটি হাঙর দেখে হতবাক বিজ্ঞানীরা, নিজেদের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছেন না তাঁরা

সমুদ্রেই তো হাঙর থাকে। তাহলে অবাক হওয়ার কি আছে। কিন্তু এ হাঙর সমুদ্রের জলে নিজের মত ভাসলেও তাকে দেখে হতবাক বিজ্ঞানীরা।

অ্যান্টার্কটিকায় হাঙর, ছবি – সৌজন্যে – এক্স – @AP

গুপী বাঘা বাঘমামাকে দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিল। তারা ভাবতেও পারেনি ও ঘরে বাঘ থাকতে পারে। ঠিক তেমনই ঘটনা বাস্তবে ঘটে গেল। একটি ক্যামেরা নেমেছিল জলের অতলে। কোনও মানুষ সঙ্গে যায়নি। সমুদ্রের একদম তলদেশে পৌঁছে যায় ক্যামেরাটি।

সেখানে ছবি তুলতে তুলতে ক্যামেরা এমন ছবি তোলে যা দেখামাত্র বিজ্ঞানীরা চমকে যান। সেখানে থাকতে পারে এমন মাছ ও জলচর প্রাণির সঙ্গে একটি বিশাল হাঙর নজর কাড়ে তাঁদের। সেই হাঙর দেখেই অবাক হয়ে যান বিজ্ঞানীরা।

কিন্তু সমুদ্রের জলেই তো হাঙর দেখা যায়। তাহলে অবাক হওয়ার কি আছে! অবাক হওয়ার আছে। কারণ হাঙরটিকে দেখতে পাওয়া যায় কুমেরুর সমুদ্রের একদম তলদেশে।

এখানে জল বরফের মত ঠান্ডা। আর এতদিন সকলের ধারনা ছিল হাঙররা হিমশীতল জলে থাকেনা। ফলে অ্যান্টার্কটিকার সমুদ্রের তলদেশে হাঙরের দেখা পাওয়া অসম্ভব ছিল।

কিন্তু সেটাই দেখা গেল এবার। ফলে এতদিন ধরে চলে আসা ধারনা ভুল প্রমাণিত হল। যেখানে হাঙরের থাকারই কথা নয়, তাকে সেখানে দেখে হতবাক হয়ে যান বিজ্ঞানীরা।

অ্যান্টার্কটিকার সাউথ সেটল্যান্ড দ্বীপের কাছে সমুদ্রের একদম তলায় যেখানে সূর্যের আলো পৌছয় না, সেখানে ভেসে বেড়াচ্ছে হাঙর। এই ছবি হাতে পাওয়ার পর হাঙরদের নতুন করে চেনার চেষ্টায় মন দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ অ্যান্টার্কটিকার সমুদ্রে কখনও এর আগে হাঙরের দেখা পাননি তাঁরা।

তবে এটাও ঠিক যে এখন ক্যামেরা সমুদ্রের অনেক গভীরে পৌঁছে ছবি তুলতে পারছে। ফলে এসব ছবি সামনে আসছে। এটাও হতে পারে যে আগেও হাঙররা এখানে আসত। পুরো বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালাচ্ছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্ববাসীও এটা জেনে হতবাক।