মহাকাশে তারা অস্ত্রসজ্জা করেছে, মেনে নিল বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশ

যুদ্ধাস্ত্র পৃথিবীতে থাকতে পারে। কিন্তু তা এবার মহাকাশেও পৌঁছে গেল। ট্রাম্পের দেশ মেনেও নিল তারা এমনটা করেছে। এবার কি মহাকাশেও লড়াই দেখবে পৃথিবী।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্মিত চিত্রে কৃত্রিম উপগ্রহ, প্রতীকী ছবি

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ কার্যত বোমা ফাটিয়েছে। মার্কিন বায়ুসেনা সেক্রেটারি খোলাখুলি জানিয়েছেন তাঁরা মহাকাশে অস্ত্রসজ্জা করেছেন। কক্ষপথে অস্ত্র প্রতিস্থাপন করেছেন। যদিও তার কারণও দেখিয়েছেন তিনি।

সেক্রেটারির দাবি, শত্রুদের হাত থেকে আমেরিকাকে রক্ষা করতে হলে এটার প্রয়োজন ছিল। মার্কিন সেনাকে রক্ষা করতে এটা অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি।

কিন্তু কি ধরনের অস্ত্র কক্ষে প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে? সে অস্ত্র কীভাবে কাজ করবে? সেসব সম্বন্ধে কোনও ধারনা অবশ্য ট্রাম্পের দেশ দেয়নি। ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, মহাকাশে বাড়তে থাকা ঝুঁকি এবং তার হাত থেকে বেঁচে মহাকাশে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখাও এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ছিল। তবে কি রাশিয়া এবং চিনকে রুখতে এমন কাজ? কোনও দেশের নাম অবশ্য করা হয়নি। মহাকাশে যে তারা অস্ত্র মোতায়েন করেছে সেকথা এই প্রথম স্বীকার করল আমেরিকা।

১৯৬৭ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেখানে মহাকাশ বিজ্ঞানে এগিয়ে থাকা দেশগুলি নিজেদের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর করে যে তারা মহাকাশে কোনও মারণাস্ত্র রাখার ব্যবস্থা করবেনা।

প্রসঙ্গত মহাকাশ গবেষণায় যে দেশ যত এগিয়ে যাচ্ছে তারা ততই মহাকাশ দখলে শক্তিশালী হয়ে উঠছে। চিন একটু দেরিতে শুরু করলেও এখন তারা মহাকাশ গবেষণায় একের পর এক সাফল্য অর্জন করে চলেছে।

রাশিয়া তো মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রে অন্যতম পথিকৃৎ। সব মিলিয়ে এবার পৃথিবীর মাটি নয়, মহাকাশ হবে রণক্ষেত্র? সে উত্তর ভবিষ্যতের হাতেই ছেড়ে রাখা ভাল।