Lifestyle

বেড়াতে এলে নিজের ব্রা খুলে ফেলেন সকলে, মানুষ সেখানে ভিড় জমান ব্রা দেখতে

এ বিশ্বে এমন একটা জায়গা রয়েছে যেখানে মহিলারা নিজের ব্রা খুলে ফেলেন। সেই ব্রা দেখতে আবার ভিড় জমান বহু মানুষ।

পৃথিবীতে চমক দেওয়ার মত কত কিছুই তো ছড়িয়ে আছে! যেমন এমন একটা জায়গা রয়েছে যেখানে গেলেই মহিলারা নিজের ব্রা খুলে ফেলেন। তারপর তা টাঙিয়ে দেন একটি বেড়ার ওপর।

সেখানে গেলেই দেখা মেলে নানা আকৃতির, নানা মাপের, নানা রঙের ব্রায়ের। নানা বয়সের মহিলার ব্রা ঝোলে খোলা আকাশের নিচে।

এমন নানা ব্রা সারি দিয়ে টাঙানো থাকে ওই বেড়ার গায়ে। যা দেখতে আবার পর্যটকদের ভিড় জমে। এই ব্রায়ে ভরা বেড়া দেখার জন্য দূর দূর থেকে মানুষ ছুটে আসেন এখানে।

অবাক চোখে চেয়ে দেখেন শত শত ব্রা টাঙানো রয়েছে সেখানে। এমনকি এই ব্রা নাকি মাঝে মাঝে চুরিও হয়! কিন্তু ব্রায়ের সংখ্যা কমে না। বরং বাড়ে। কারণ মহিলারা এখানে আসলেই ব্রা টাঙিয়ে দিয়ে যান। এটা যেন একটা প্রথার রূপ নিয়েছে এখন।

ঘটনার সূত্রপাত ১৯৯৯ সালে। নিউজিল্যান্ডের সেন্ট্রাল ওটাগো অঞ্চলে রয়েছে কারড্রোনা উপত্যকা। সেখানে একটি স্থানের বাসিন্দারা একদিন সকালে উঠে খুব অবাক চোখে দেখেন গ্রামের বেড়ার গায়ে ৪টি ব্রা ঝুলছে!

কার ব্রা, কোথা থেকে এল, কেনই বা কেউ ব্রা টাঙিয়ে গেলেন, কিছুই বুঝতে পারেননি তাঁরা। কিন্তু এই ৪টি ব্রায়ের পাশে দেখা যায় কয়েকজন মহিলা মজা করেই ব্রা টাঙিয়ে দেন।

তাঁদের দেখে অন্য কয়েকজন মহিলাও তাই করেন। আর এভাবে মহিলাদের মধ্যে এটা একটা মজা হিসাবে চালু হয়ে যায়। পরে এমন হয় যে এটা একটা প্রথা হয়ে দাঁড়ায়।

এখন তো মহিলারা এখানে এলেই ব্রা খুলে এখানে টাঙিয়ে দিয়ে যান। এই বেড়ার এখন নাম হয়েছে ব্রাড্রোনা। কারড্রোনার বেড়া এখন সকলে চেনেন ব্রাড্রোনা হিসাবে। যেখানে সারা পৃথিবী থেকে পর্যটকরা আসেন এই ব্রায়ের মেলা দেখতে।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button