মুম্বইতে যাঁরা বেড়াতে যান তাঁরা একটি জায়গায় অবশ্যই হাজির হন। সেটা এলিফ্যান্টা দ্বীপ। মুম্বইয়ের কোলাবা-র ঐতিহাসিক গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়া লাগোয়া সমুদ্রপথে প্রায় ঘণ্টা খানেকের পথ। এই সমুদ্রযাত্রা শেষে পৌঁছে যাওয়া যায় এলিফ্যান্টা দ্বীপ। যেখানে পাহাড়ের ওপর রয়েছে অনেকগুলি গুহা।
সেখানে নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন নজর কাড়ে। এছাড়া এলিফ্যান্টা দ্বীপের ওই পাহাড়ের ওপর থেকে চারধারের সৌন্দর্য অপরূপ। যদিও এই দ্বীপের কেবল একটি অংশেই পর্যটকেরা যেতে পারেন।
এই অন্যতম পর্যটনস্থল এলিফ্যান্টার সঙ্গে সমুদ্রের যে সম্পর্ক গভীর তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশ্বের যে কোনও দ্বীপের ক্ষেত্রেই একথা প্রযোজ্য।
এবার সমুদ্রের সঙ্গে এলিফ্যান্টার সম্পর্কের গভীরতা ও তার প্রভাবে এলিফ্যান্টার পরিবর্তনের কথা জানতে গবেষণা শুরু করল খড়গপুর আইআইটি, এএসআই এবং মুম্বই পোর্ট অথরিটি। এই গবেষণার জন্য মুম্বই পোর্ট অথরিটি ১ কোটি টাকা খরচ করছে।
বহুদিনের ইতিহাসে সমুদ্রের পরিবর্তন, সমুদ্রের জলস্তরে পরিবর্তন, স্থানীয় আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং এই পথে বাণিজ্য সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে এলিফ্যান্টাকে পরিবর্তিত করেছে তা খতিয়ে দেখতেই এই গবেষণা।
এই পরিবর্তনের ফলে এলিফ্যান্টায় মানুষের যাতায়াত কীভাবে বেড়েছে তাও খতিয়ে দেখা হবে এই গবেষণায়। এলিফ্যান্টার ইতিহাসকে সবদিক থেকে খতিয়ে দেখতে এই পদক্ষেপ জরুরি ছিল। যা এই গবেষণালব্ধ ফল দিতে চলেছে।
এলিফ্যান্টাকে কেবল একটি পর্যটনস্থলে সীমাবদ্ধ করে না রেখে তার দীর্ঘদিনের ইতিহাসকে জানা ও তাকে নতুন করে চেনা এলিফ্যান্টা সম্বন্ধে ধারনা বদলেও দিতে পারে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা