প্রতি সকালেই এই উদ্যানে বহু মানুষের ভিড় জমে। অনেক গাছ। সবুজে ভরা চারধার। সেখানে প্রকৃতির মাঝে সকালে কেউ ছোটেন, কেউ যোগাভ্যাস করেন, কেউ ব্যায়াম করেন। শরীরচর্চা ছাড়াও অনেকে নিছক উদ্যানে ঘুরে বেড়াতে বা সময় কাটাতে হাজির হন।
সেখানেই মঙ্গলবার সকালে হাজির হল একটি পূর্ণবয়স্ক লেপার্ড। বাঘের দেখা প্রথমে না পেলেও তার উপস্থিতির কথা জানতে খুব বেশি সময় লাগেনি। আর যেই উদ্যানে উপস্থিত মানুষজন জানতে পারেন যে সেখানে একটি লেপার্ড ঢুকেছে, তখনই শুরু হয়ে যায় হুড়োহুড়ি।
উদ্যানের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরাও খবর পেয়ে দ্রুত হাজির হন। সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় উপস্থিত মানুষজনকে। সেই সঙ্গে বন বিভাগকেও খবর দেওয়া হয়।
এদিকে উদ্যানে প্রবেশ করার পর লেপার্ডটি কিছু একটা ভেবে চড়েছিল একটি জাম গাছে। ৪০ ফুট উঁচু জাম গাছটার প্রায় মগডালের কাছে পৌঁছে যায় সে।
বন দফতরের কর্মী ও আধিকারিকরা এসে সেই জাম গাছের তলায় হাজির হন। তারপর সেখান থেকে ঘুমপাড়ানি গুলি ছুঁড়ে বাঘটিকে কাবু করে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা হয়। কিন্তু গাছের এতটাই উঁচুতে লেপার্ডটি বসে ছিল যে ২ বার পরপর ঘুমপাড়ানি গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
এভাবে হবেনা বুঝতে পেরে এবার ডাকা হয় ক্রেন। সকাল ৯টা নাগাদ রাজস্থানের কোটা শহরের ছাত্র বিলাস উদ্যান বা সিবি গার্ডেনে হাজির হয় একটি ক্রেন। সেই ক্রেনে চেপে লেপার্ডের কাছাকাছি পৌঁছে অবশেষে তাকে ঘুমপাড়ানি গুলিতে বিদ্ধ করা হয়।
আধ ঘণ্টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ে লেপার্ডটি। তারপর তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান বন কর্মীরা। কোটা শহর জুড়ে এই ঘটনার খবর হুহু করে ছড়িয়ে পড়ে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা