দেশের প্রথম সামুদ্রিক জাতীয় উদ্যানের জলে ঘুরপাক খাচ্ছে ৬৮০টি ডলফিন, কারণও জানা গেল

দেশের প্রথম সামুদ্রিক জাতীয় উদ্যান গড়ে ওঠার পর এই প্রথম তার জলে ৬৮০টি ডলফিনের যাতায়াত নজর কাড়ল। কেন এত ডলফিনের আগমন, জানালেন বিশেষজ্ঞেরা।

ডলফিন, ছবি - সৌজন্যে - উইকিমিডিয়া কমনস

গহন জঙ্গলকে ঘিরে জাতীয় উদ্যান তৈরির কথা তো সকলের জানা। কিন্তু ভারতে সামুদ্রিক প্রাণের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়েছিল সামুদ্রিক জাতীয় উদ্যানও।

গুজরাটের কচ্ছের রণ লাগোয়া সমুদ্রের বিশাল অংশ জুড়ে তৈরি হয়েছিল এই সামুদ্রিক জাতীয় উদ্যান। যা ভারতের প্রথম সামুদ্রিক জাতীয় উদ্যানের শিরোপা পায়।

সমুদ্রের এই অংশকে সামুদ্রিক জীবনের জন্য এক নিশ্চিন্ত ও সুরক্ষিত স্থান হিসাবে গড়ে তোলা হয়। যেখানে সামুদ্রিক মাছ ও প্রাণিরা নিশ্চিন্তে তাদের মত করে জীবন কাটাতে পারবে। জল প্রকৃতির মাঝে তাদের কোনওভাবে মানুষ বা কোনও যন্ত্রের দ্বারা বিরক্ত হতে হবে না।

কোনও বেআইনি মাছ ধরা প্রতিরোধ, ম্যানগ্রোভ অরণ্যকে বাঁচানো এবং জলের প্রাণকে রক্ষা করা হয় এই সামুদ্রিক জাতীয় উদ্যানে। যার ফলে এখানে সমুদ্রের জল অনেক পরিস্কার ও স্বচ্ছ।

তাছাড়া এখানে সামুদ্রিক প্রাণেরা ঘোরে তাদের মত করে নিশ্চিন্তে। সেটাই এবার ক্রমে টেনে আনছে ডলফিনদের। ডলফিনেরা এখানে হাজির হচ্ছে, ভেসে বেড়াচ্ছে নিজেদের মত করে।

এভাবে ক্রমে ডলফিনের উপস্থিতি বাড়তে বাড়তে ৬৮০টিতে ঠেকেছে। যা এখানে পর্যটকদের টেনে আনবে বলেও মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী অর্জুন মোধওয়াদিয়া ডলফিনের এই আনাগোনার সাফল্যকে সকলের সামনে তুলে ধরেছেন।

জলের মান কতটা ভাল আছে, জলের বাস্তুতন্ত্র ঠিক আছে কিনা, জলে খাবারের সমস্যা আছে কিনা, সবই বোঝা যায় ডলফিনের সেই জলে ঘোরাফেরা দেখে। সবকিছু ঠিক থাকলে ডলফিনেরা সেই জলে তাদের ঘোরাফেরা বাড়ায়। আর সেটাই হয়েছে ভারতের প্রথম সামুদ্রিক জাতীয় উদ্যানের জলে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা