ইচ্ছা ছিল সরকারি চাকরি করার। সরকারি চাকরির আশায় পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষাতেও বসেছিলেন। সেটা ছিল ২০০৫ সাল। সেই পরীক্ষায় তিনি পাশ করেন। তাঁর তালিকায় নামও ওঠে। কিন্তু তিনি যে উত্তীর্ণ হয়েছেন, সরকারি চাকরি পাওয়ার জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন, সেই সংক্রান্ত কোনও চিঠি তাঁর কাছে আসেনি।
ফলে তিনি আশায় বসে থাকেন। নিয়ম মেনে ওই তালিকা ৩ বছর পর্যন্ত বৈধও ছিল। কিন্তু আবদুল মজিদ এটা জানতেও পারলেননা তিনি সরকারি চাকরি পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
কেরালার মালাপ্পুরম জেলার বাসিন্দা আবদুল মজিদ তাঁর জীবন কাটাতে লাগলেন সরকারি চাকরি পাওয়ার স্বপ্ন বুকে করেই। এভাবে এখন তাঁর ৬১ বছর বয়স। আর এই বয়সে এসে তিনি গত এপ্রিলে এমন একটি চিঠি হাতে পেয়েছেন যা তাঁর জন্য বড় বেদনাদায়ক।
আবদুলের কাছে কেরালা পাবলিক সার্ভিস কমিশনের কাছ থেকে একটি চিঠি এসেছে। যাতে তাঁকে পার্ট টাইম জুনিয়র আরবি শিক্ষক পদের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কিন্তু তিনি তো এরমধ্যে কোনও পরীক্ষা দেননি!
আবদুল মজিদ জানতে পারেন, ২০০৫ সালে দেওয়া পরীক্ষায় তিনি পাশ করেছিলেন। সরকারি চাকরিতে যোগদানের ছাড়পত্রও পেয়েছিলেন। কিন্তু সে চিঠি হাতে আসেনি।
কেবল নামটা তালিকায় থেকে গিয়েছিল। এতদিন পর সেই তালিকা থেকে তাঁর নাম খুঁজে তাঁকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কারণ ওই পদের জন্য উপযুক্ত প্রার্থীর অভাব রয়েছে।
২১ বছর পর সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার পত্র হাতে পেলেন আবদুল। কিন্তু এমন সময় পেলেন যখন তাঁর সরকারি চাকরি থেকে অবসরের বয়সও পার করে গেছে।