খবরটা ছড়িয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। তারপর তা ছড়িয়ে পড়তে সময় নেয়নি। এত দ্রুত তা আগুনের মত ছড়িয়ে পড়ে যে গোয়ার স্থানীয় বাসিন্দারা রেশন থেকে চাল নেওয়াই বন্ধ করে দেন। রীতিমত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
যা অবশ্যই গোয়ার রাজ্যসরকারকেও অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। কারণ রেশন থেকে প্লাস্টিকের চাল দেওয়া হচ্ছে এই খবর মানে সরাসরি রাজ্যসরকারই এই চাল বিতরণে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত মাঠে নেমে পড়ে সমুদ্র পারের এই পর্যটন রাজ্যের সরকার। সরকারের তরফে জানানো হয়, সবদিক থেকে এই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়েছে। কোনও প্লাস্টিকের চাল বিতরণ করা হচ্ছেনা। বরং অত্যন্ত উচ্চ গুণমানের চাল বিতরণ হচ্ছে ফেয়ার প্রাইস শপ থেকে।
সরকার এও জানিয়েছে উন্নত মানের চালের সঙ্গে এক ধরনের পুষ্টিকর চালের পাউডার মেশানো হয়। যাতে থাকে ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি১২ এবং আয়রন। এগুলি মিশিয়ে চালের পুষ্টিগুণ আরও বৃদ্ধি করা হয়।
সরকারের তরফে বিষয়টি পরিস্কার করতে গিয়ে এও জানানো হয়েছে, ভাতে ৮০ শতাংশ মাড় ও প্রচুর কার্বোহাইড্রেট থাকে। ফলে তা একটু চটচটে হয়। তার মানে সেটা প্লাস্টিক নয়।
গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শও দিয়েছে সরকার। গুণগত মান বাড়াতে চালে পাউডার মেশানো এই আরও উন্নত চাল আর পাঁচটা সাধারণ চালের মতই স্বাদের হয়ে থাকে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা