National

মুরগি ডাকায় রেগে আগুন চিকিৎসক সোজা হাজির থানায়

মুরগিটা ডাকবে কেন? এভাবে মুরগি ডাকা তিনি মেনে নিতে পারছেন না। রেগে আগুন হয়ে অবশেষে থানায় হাজির হলেন এক চিকিৎসক।

মুরগির ডাক তো সকলের জানা। গ্রাম বলেই নয়, শহরেও মুরগির ডাক হামেশা শোনা যায়। ভোরে তো অনেকের মুরগির ডাকে ঘুম ভাঙে। কার্যত ভোরে মুরগির ডাক অনেকের ক্ষেত্রে অ্যালার্মের কাজ করে।

অনেকের আবার ভোরে মুরগির ডাক শুনতেও ভাল লাগে। কিন্তু এক চিকিৎসক ভোরে মুরগির ডাকে কোনও আনন্দ খুঁজে পেলেন না। বরং তা নিয়ে বিরক্ত হয়ে হাজির হলেন থানায়।

ওই চিকিৎসক পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান, তাঁর এক পড়শি মুরগি পোষেন। সেই মুরগি প্রতিদিন ভোর ৫টায় ডাকতে শুরু করে। যা তাঁর ঘুম ভাঙিয়ে দেয়।

তিনি এমনিতেই রাতে বাড়ি ফেরেন। অনেক রাতে বিছানায় যেতে পারেন। গভীর রাতে শুয়ে ফের ভোরেই মুরগির ডাকে এভাবে প্রতিদিন ঘুম ভেঙে যাওয়া তিনি মেনে নিতে পারছেন না। পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতেও বলেন ওই চিকিৎসক।

অভিযোগপত্র হাতে পাওয়ার পর পুলিশ ওই চিকিৎসক ও তাঁর মুরগি পোষা প্রতিবেশিকে একসঙ্গে বসিয়ে মিটমাটের চেষ্টা করে। একটা ২ পক্ষের গ্রহণযোগ্য পথ বার করার চেষ্টা করে। সে চেষ্টা চালিয়ে যাবে পুলিশ। তারপরেও কাজ না হলে তখন আইনি পথে এর সমাধান খুঁজবে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে। বিষয়টি জানার পর স্থানীয়দের অনেকেই ওই চিকিৎসকের ওপর ক্ষুব্ধ। মুরগির ডাক নিয়ে কারও কোনও অভিযোগ থাকেনা। সেখানে মুরগির ডাককে কেন্দ্র করে সোজা থানায় চিকিৎসকের হাজির হওয়াটা মোটেও ভাল চোখে নিচ্ছেন না তাঁরা।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button