National

২০৫ কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করে ৮ টাকা পেলেন কৃষক, রয়েছে পাকা বিল

২০৫ কেজি পেঁয়াজ এনেছিলেন বিক্রি করতে। বিক্রিও হল। তবে তার দাম পেলেন মাত্র ৮ টাকা ৩৬ পয়সা। অন্যজন ২১২ কেজি এনে পেলেন ১০ টাকা।

রাতদিন এক করে, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, রোদ, জল বৃষ্টি সহ্য করে কৃষকরা মাঠে ফসল ফলান। কয়েক মাস পর সে ফসল পূর্ণতা পেলে তা বিক্রি করতে নিয়ে যান পাইকারি বাজারে।

সেখানে এতদিনের কষ্টার্জিত ফসলের বিনিময়ে এমন একটা অর্থ উপার্জন তাঁরা আশা করেন যাতে তাঁদের পারিবারিক প্রয়োজনটুকু মেটে, পরিবারের মুখে হাসি ফোটে। কিন্তু কৃষকদের দুরবস্থার এক চরম চিত্র এবার সামনে এল।

কর্ণাটকের গদাগ জেলায় পেঁয়াজের চাষ বিখ্যাত। সেখান থেকে এক কৃষক ২০৫ কেজি পেঁয়াজ মিনি ট্রাকে করে নিয়ে হাজির হন বেঙ্গালুরুর পাইকারি বাজারে।

সেখানে যাবতীয় হিসাবের পর তাঁকে ৮ টাকা ৩৬ পয়সা তাঁর ২০৫ কেজি পিঁয়াজের জন্য দেওয়া হয়। তাও থাউকো হাতে তুলে দেওয়া নয়, রীতিমত পাকা বিল তৈরি করে তাঁকে দেওয়া হয়।

যেখানে দেখা গেছে তাঁর পেঁয়াজের দাম তিনি পেয়েছেন ৪১০ টাকা। তার থেকে কেটে নেওয়া হয়েছে তাঁর পরিবহণ খরচ। পরিবহণের খরচ দেখানো হয়েছে ৪০১ টাকা ৬৪ পয়সা। বাকি পড়ে থাকে ৮ টাকা ৩৬ পয়সা। যা তিনি হাতে পেয়েছেন।

একইভাবে অন্য এক কৃষক ২১২ কেজি পেঁয়াজ নিয়ে ওই পাইকারি বাজারে হাজির হয়েছিলেন একই জেলা থেকে। তিনি বিক্রি বাবদ হাতে পেয়েছেন সব কেটেকুটে ১০ টাকা।

এ বিষয়ে কর্ণাটক সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা হয়েছে সোশ্যাল সাইটে। এমন পরিস্থিতিকে কৃষকদের প্রতি চরম অবিচার হিসাবেই দেখছেন অধিকাংশ মানুষ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button