SciTech

মঙ্গলগ্রহের আকাশে ডানা মেলল হেলিকপ্টার, সময় দেখে খুশি বিজ্ঞানীরা

মঙ্গলগ্রহকে চেনার কোনও চেষ্টাতেই ফাঁক রাখছেন না নাসার বিজ্ঞানীরা। অনেক নতুন কিছু জানাও যাচ্ছে। এবার বেশ কিছুক্ষণ উড়ানেই আপ্লুত বিজ্ঞানীরা।

মঙ্গলগ্রহের আকাশে উড়ে বেড়াল হেলিকপ্টার। শূন্য প্রান্তর জুড়ে উড়ল ১৮ সেকেন্ড। আর ১৮ সেকেন্ডেই যা প্রমাণ পাওয়ার পেয়ে গেলেন নাসার বিজ্ঞানীরা। ফলে তাঁরাও বেজায় খুশি ইনজেনুইটি-র নতুন ক্ষমতায়।

নাসার বিজ্ঞানীরা এই হেলিকপ্টারটির মঙ্গলের আকাশে উড়ে বেড়ানোর পাশাপাশি সেটির অবতরণ নিয়ে কিছুটা বিব্রত ছিলেন। মঙ্গলের মাটিতে সেটি অবতরণ করতে গিয়ে কোনও বিপত্তি এড়াতে তার সফটওয়্যারে বেশি কিছু পরিবর্তন করা হয়।

আরও আপডেট করা হয় হেলিকপ্টারটির সফটওয়্যারে। যা ওই হেলিকপ্টারটিকে আরও শক্তিশালীভাবে কাজ করতে সাহায্য করবে বলে আশাবাদী ছিলেন বিজ্ঞানীরা।

হেলিকপ্টারটির তলার দিকে নিচের দিকে মুখ করা একটি ক্যামেরাও ঠিকঠাক যাতে কাজ করতে পারে সেদিকে নজর রাখা হয়। সেটিই আদপে হেলিকপ্টারটি যখন মাটিতে অবতরণ করবে সেটার দিকে নজর রাখবে। হেলিকপ্টারটিকে সঠিকভাবে অবতরণ করতে সাহায্য করবে।

কোথায় সুরক্ষিতভাবে নামা যেতে পারে তাও খুঁজে বার করবে। কারণ লাল গ্রহের জমি বড়ই এবড়ো খেবড়ো। ফলে সেখানে ঠিকঠাক অবতরণ একটা চ্যালেঞ্জ। সেজন্যই এই আপডেট।

এইসব আপডেট করার পর নাসার বিজ্ঞানীরা চাইছিলেন সফটওয়্যার আপডেট তাঁদের চাহিদা মেনে কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করতে। সেজন্য সেটিকে লাল গ্রহের আকাশে জেজেরো ক্রেটারের পাথুরে জমির ওপর দিয়ে ১৮ সেকেন্ড উড়িয়ে অবতরণ করানো হয়।

যা একদম বিজ্ঞানীদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণ করে। তাঁরা ঠিক যেভাবে চাইছিলেন তেমনভাবেই কাজ করে আপডেট হওয়া হেলিকপ্টারের সফটওয়্যার। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button